বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঢাকার জানাজার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত হয়েছে গায়েবানা জানাজা। এতে অংশ নেন বাংলাদেশ হাইকমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম এবং মালদ্বীপ বিএনপির নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিরাসহ স্থানীয় নাগরিকরা।বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় বাদ আসর নামাজের পর মালদ্বীপের জাতীয় মসজিদ আল-সুলতান মুহাম্মদ ঠাকুরুফানু আল-আউজামে এ জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজাস্থলে নেমে আসে সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঢল। হাজার কর্মব্যস্ততা উপেক্ষা করেও মালদ্বীপের বিভিন্ন শহর থেকে আগত বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ প্রবাসীরা অশ্রুসিক্ত নয়নে বেগম জিয়াকে শেষ বিদায় জানান। আবেগঘন পরিবেশে জানাজাস্থল যেন পরিণত হয় শোক ও ভালোবাসার মিলনমেলায়। বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে হাইকমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বেগম জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বের ফলে গণতন্ত্রহীন অবস্থা থেকে জাতি বারবার মুক্ত হয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তার অবদান সবাই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে বলেও উল্লেখ করেন হাইকমিশনার। আরও পড়ুন: কুয়েতে বেগম জিয়ার গায়েবানা জানাজা, ইমামতি করলেন মাওলানা নুরুল আলম বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মালদ্বীপ শাখার সভাপতি মো. খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক ফোরাম মালদ্বীপের সভাপতি মো. এমরান হোসেন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মো. ওমর ফারুক খোন্দকার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সোহেল রানা, বাংলাদেশ ফোরাম মালদ্বীপের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেনসহ বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এসময় তারা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রাঙ্গনে অর্ধনমিত রাখা হয়েছে জাতীয় পতাকা এবং বিদেশি কূটনীতিকসহ সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে শোক বই।