মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে বরেণ্য অভিনেতা জর্জ ক্লুনিকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তার পরিবারের প্রতিও ক্ষুব্দ তিনি। এর কারণ, ক্লুনি দম্পতি ফ্রান্সের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। আর এই বিষয়টিকে তারা রাজনৈতিক সমালোচনার সঙ্গে যুক্ত করেছেন। ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ভালো খবর! জর্জ ও আমাল ক্লুনি, যারা সবসময় রাজনীতির সবচেয়ে বাজে পূর্বাভাসকার বলে পরিচিত তারা এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের নাগরিক। তবে দেশটি বর্তমানে বড় ধরনের অপরাধ প্রবণতায় ভুগছে। যেমন আমাদের দেশজুড়ে ‘স্লিপি জো বাইডেন’-এর অধীনে নানা অপরাধ চলছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ‘মনে আছে ক্লুনি বিখ্যাত বিতর্কের পর জো বাইডেনকে সমর্থন না দিয়ে আরেক প্রার্থীকে পাশে নিয়েছিলেন? এর ফলে তিনি রাজনীতিতে নিজের সিনেমার চেয়েও বেশি খ্যাতি পেয়েছেন। কিন্তু আসলে তিনি কোনো বড় চলচ্চিত্র তারকা নন, তিনি শুধু একজন সাধারণ মানুষ, যিনি রাজনীতিতে সাধারণ যুক্তির জন্য ক্রমাগত অভিযোগ করেন।’আরও পড়ুনযুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ক্লুনি এখন সপরিবারে ফরাসি নাগরিকহৃতিক রোশনই কি হচ্ছেন নতুন ‘ডন’ জর্জ ক্লুনি ট্রাম্পের সমালোচনার জবাবে পূর্বেই বলেছেন, তিনি এই ধরনের কটাক্ষকে পাত্তা দেন না। এক সাক্ষাৎকারে ক্লুনি বলেছিলেন, ‘আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য কিছু করি না। আমার কাজ হলো সত্য বলার চেষ্টা করা। যতটা সম্ভব এবং যখন সুযোগ পাই। মানুষ যেটা পছন্দ করবে না, সেটা আমাকে ভাবাবে না।’ এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে ক্লুনি আরও বলেছেন, মিডিয়া তার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের মামলায় সরাসরি লড়াই করলে দেশ এখন যে পরিস্থিতিতে রয়েছে তা হতো না। তিনি সাংবাদিকদের উৎসাহ দিয়েছেন, নির্ভয়ে সত্য প্রকাশ করতে। এই ঘটনার মাধ্যমে ক্লুনি এবং ট্রাম্পের রাজনৈতিক টানাপোড়েন নতুন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এটি সিনেমা ও রাজনীতি মিলিয়ে আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করছে। এলআইএ