তিন জেলায় শীত-সহায়তা কার্যক্রম চলছে

কুড়িগ্রাম, চুয়াডাঙ্গা ও কিশোরগঞ্জে শীত-সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার কথা জানিয়েছেন জনপ্রিয় আলেম ও ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। ২ জানুয়ারি ২টা ৮ মিনিটে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান। শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, কুড়িগ্রাম, চুয়াডাঙ্গা ও কিশোরগঞ্জে শীতের প্রকোপ অত্যন্ত তীব্র। সারাদেশের পাশাপাশি শীতপ্রবণ এই তিন জেলায় আমরা বিশেষভাবে শীত-সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছি, আলহামদুলিল্লাহ। কুড়িগ্রামের ৫টি স্পটে ২৫০ প্যাকেজ শাল-হুডি, ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১,৩৫০ মোজা-টুপি, ১টি স্পটে ৫০ প্যাকেজ খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম চলছে। এ ছাড়া এই জেলার হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ফিল্টার দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলার ৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৬৫০ মোজা-টুপি, ২টি স্পটে ১০০ প্যাকেজ শাল-হুডি, ১টি স্পটে ৫০ প্যাকেজ খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। এখানকার হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও দেওয়া হচ্ছে গরম পানির ফিল্টার। আরও পড়ুনমুন্সী এনায়েতের হাত ধরে ভাগ্যবদল জন্মান্ধ গফুর মল্লিকের দুই হাতহীন শিশুর দায়িত্ব নিলেন মিরাজ আফ্রিদি  কিশোরগঞ্জের ৫টি স্পটে ২৫০ প্যাকেজ শাল-হুডি, ২টি স্পটে ১০০ প্যাকেজ খাদ্য, ২২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১,৯০০ মোজা-টুপি বিতরণ কার্যক্রম চলছে। এ ছাড়া এই জেলার হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিল্টার দেওয়ার কাজ চলমান রয়েছে। উল্লেখ্য, এবারের শীতে সারাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ৫০ হাজার টুপি-মোজা এবং শীতপ্রধান অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে ১০ হাজার শাল-হুডি বিতরণ করা হচ্ছে। সেই সাথে মাদরাসা ও হাসপাতালে ২০০ পানির ফিল্টার বিতরণের কাজ চলমান। শৈত্যপ্রবাহে শীত-প্রধান অঞ্চলের কর্মহারা মানুষের মাঝে ২২.৫ টন জরুরি খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। খাবার প্যাকেজের ভেতর রয়েছে: ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তেল এবং ৫০০ গ্রাম লবণ। এসইউ