বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, বেগম জিয়া হাসপাতালে যাওয়ার দুদিন আগে দলের অতি ঊর্ধ্বতন কিছু মানুষ গিয়েছিলেন ওনার (বেগম খালেদা জিয়ার) সঙ্গে দেখা করার জন্য। তখন বেগম জিয়া জানতে চেয়েছিলেন রুমিনকে কেন মনোনয়ন দেয়া হলো না?শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘যখন দলের দুঃসময় ছিল তখন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নেতৃত্বে ছিলেন। তিনি আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, সেটা অনেক সময় দেখা গেছে আমার বয়স ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার চেয়ে অনেক বড়। সেই দায়িত্ব আমি অক্ষরে অক্ষরে পালন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তার একটা রুপ আপনারা দেখেছেন ২০১৮ সালের সংসদে ২০১৯ সাল থেকে আমি সংসদে যাবার পর থেকে আমার ভূমিকা কী ছিল। দল যখন ২০২২ সালে আমাকে সেখান থেকে পদত্যাগ করতে বলেন, তখন আমি এক মুহূর্ত চিন্তা করি নাই। যখন বলেছে, যেদিন বলেছে, তখনই আমি সেই মুহূর্তে পদত্যাগ করি।’তিনি বলেন, ‘যাই হোক রাজনীতিতে তাকদিরের বাইরে কিছু হয় না। ভীষণ রকম ভাগ্য এখানে কাজ করে। আমার ভাগ্যে ঠিক সেটাই ঘটছে, যেটা আমার বাবার সাথে ১৯৭৩-এ নির্বাচনে ঘটেছিল। তখন নৌকার জোয়ার ছিল। আর কোনো দলের জোয়ার ছিল না। আমার বাবা স্বতন্ত্র জিতেছিলেন। এখন বাংলাদেশে এই মুহূর্তের প্রেক্ষাপটে যেহেতু আওয়ামী লীগ নেই, বিএনপির একটা জোয়ার দেখা যাচ্ছে। সেখানে আমি আবার স্বতন্ত্র দাঁড়াচ্ছি। এটাকে আমি ভাগ্যের খেলা ছাড়া কি বলতে পারি।’আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাসহ ৩০ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, বাতিল ৬সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রুমিন বলেন, ‘যদি কোনো বেইনসাফ হয়ে থাকে, সেই বিচার আমি আমার ভোটারদের হাতে ছেড়ে দিলাম। আমি আমার রাজনৈতিক চালিয়ে যাব। আমরা কি সুষ্ঠু নির্বাচনের ধরা আনতে চাই।’ব্যারিস্টার রুমিন বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ আমার মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। মানুষের ভালোবাসা দেখে আমি অনেকটাই মুগ্ধ। একেকজন মুরুব্বি আসেন, উনাদের চোখে পানি, আম্মা আপনাকে জিততে হবে। আম্মা আপনাকে আমরা জিতিয়ে জবাব দেব। মানুষের ভালোবাসা পূরণের যেন আল্লাহ আমাকে তৌফিক দেন।’