ঢাকাকে তৃতীয় হারের স্বাদ দিয়ে এক লাফে দুইয়ে চট্টগ্রাম

ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া ঢাকা ক্যাপিটালসের ১২২ রান চট্টগ্রাম রয়্যালসের কাছে ধোপে টিকলো না। দুই ওপেনার নাইম শেখ ও অ্যাডাম রসিংটনের ব্যাটেই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে চট্টগ্রাম।১২.৪ ওভারের মধ্যেই পাওয়া চট্টগ্রামের জয়টি ১০ উইকেটে। নাইম ৪০ বলে ৫৪ ও রসিংটন ৩৬ বলে ৬০ রান করে অপরাজিত থাকেন।এর আগে নির্ধারিত ১৯.৪ ওভারে সব কটি উইকেট হারিয়ে ১২২ রান সংগ্রহ করে ঢাকা। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চট্টগ্রামের বোলারদের তোপে পড়ে ঢাকা। ইনিংস শুরুর প্রথম ওভারে শরিফুলের বলে এলবিডব্লিউ হন সাইফ হাসান। ৪ বলে ১ রান আসে তার ব্যাট থেকে। পঞ্চম ওভারে আক্রমণে এসে এ পেসার আবার তুলে নেন জুবাইদ আকবরির উইকেট। ১২ বলে ২ রান করেন আফগান ব্যাটার।আরও পড়ুন: ফাহিম আল চৌধুরীর আপত্তিকর মন্তব্য, সিলেটের ম্যাচ বয়কট করলেন সাংবাদিকরাএক ওভার পর তানভীর এসে তুলে নেন একপ্রান্ত ধরে সাচ্ছন্দ্যে ব্যাট করা উসমান খানকে। এক্ষেত্রে অবশ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল উইকেটরক্ষক অ্যাডাম রসিংটনের। ১৫ বলে ৩ চারের মারে ২১ রান করা উসমানকে স্টাম্পিং করেন তিনি। এ ইংলিশ উইকেটরক্ষক পুরো ম্যাচে আরও তিনটি স্টাম্পিং করেন। শামীম হোসেন, সাব্বির রহমান ও ইমাদ ওয়াসিমকে সাজঘরে ফিরিয়ে বোলারদের উইকেট তুলে নিতে রাখেন ভূমিকা। শামীম ৭ বলে ৪, সাব্বির ৮ বলে ৯, ইমাদও ৮ বলে ৯ রান করে আউট হন। ১২ বলে ৮ রান করা মোহাম্মদ মিঠুন ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। ৬৬ রানের মধ্যে ৭ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে ঢাকা। শতরান সংগ্রহ করাও তাদের জন্য তখন বেশ কঠিন মনে হচ্ছিল।তবে নাসির হোসেনের সঙ্গে ৪৮ রানের জুটি গড়ে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন সাইফউদ্দিন। নাসির ২০ বলে ১৭ রান করে আউট হলেও ২৫ বলে ৪ চারের মারে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন সাইফউদ্দিন। শেষদিকে তাসকিন আহমেদ ৪ বলে ৫ রান করে আউট হয়েছিলেন। ঢাকার ব্যাটিং লাইন আপ ধসিয়ে দেওয়ার পথে মাত্র ৮ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন তানভীর। ১৮ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন শরিফুল। শেখ মেহেদী ২ উইকেট নিলেও খরচ করেন ৩৪ রান।