স্বামীর চেয়ে আয়-সম্পদ বেশি তানিয়া রবের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের প্রার্থী জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডির) সিনিয়র সহ-সভাপতি তানিয়া রব পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তার বছরে আয় ৮২ লাখ ৯২ হাজার ১১ টাকা টাকা। মোট সম্পদ ১৪ কোটি ৮ লাখ ৯ হাজার ৮৮৭ টাকার। স্বামী আ স ম আব্দুর রবের বছরে আয় ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭৬০ টাকা। তার এক কোটি ৬৫ লাখ ১৪ হাজার ৪০৩ টাকার সম্পদ রয়েছে। তানিয়া রবের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া নির্বাচনি হলফনামা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। তানিয়া স্বাধীনতার প্রথম পতাকা উত্তোলক ডাকসুর সাবেক ভিপি সাবেক মন্ত্রী আ স ম আব্দুর রবের সহধর্মিণী। তারা রামগতি উপজেলার চরবাদাম গ্রামের মরহুম আলী আজমের বাড়ির বাসিন্দা। তানিয়ার হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। তার অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে ব্যাংকে দুই লাখ ৪৮ হাজার ৯৬১ টাকা এবং বন্ড, ঋণপত্র, স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় কোম্পানির শেয়ার রয়েছে পাঁচ কোটি ৭৫ লাখ ৩ হাজার টাকা। বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার ৪৫ লাখ টাকা আমানত ও বিনিয়োগ রয়েছে। তার দুটি গাড়ির রয়েছে, যার মূল্য ৬১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। সোনাসহ মূল্যবান ধাতুর ৫০ ভরি গহনা ও ১০ লাখ টাকার আসবাবপত্র রয়েছে। এসব সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ছয় কোটি ৯৪ লাখ ১৬ হাজার ৯৬১ টাকা। স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে এক কোটি ২৯ লাখ ২৬ হাজার ৪৩৩ টাকা মূল্যের আবাসিক বা বাণিজ্যিক ভবন রয়েছে তানিয়া রবের। বাড়িসহ স্থাবর সম্পত্তির ভাড়া থেকে তার ১৪ লাখ ৭২ হাজার ২২৬ টাকা ও ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ৬৮ লাখ ১৯ হাজার ৭৮৫ টাকা আয় হয়। তার বছরে আয় ৮২ লাখ ৯২ হাজার ১১ টাকা এবং সম্পদের পরিমাণ ১৪ কোটি ৮ লাখ ৯ হাজার ৮৮৭ টাকা। তিনি সবশেষ ২৩ লাখ ২০ হাজার ৭০৮ টাকা আয়কর দিয়েছেন। তানিয়ার স্বামী আ স ম রবের বছরে আয় ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সম্পদ রয়েছে এক কোটি ৬৫ লাখ ১৪ হাজার ৪০৩ টাকার। এরমধ্যে তার আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ১৬ লাখ ৪২ হাজার ৭২৬ টাকা জমা রয়েছে। বন্ড, ঋণপত্র, স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় কোম্পানিতে তার শেয়ার রয়েছে এক কোটি টাকা। এসবের পাশাপাশি ৩০ লাখ টাকার স্থায়ী আমানত রয়েছে আ স ম রবের। আরও রয়েছে ১০ ভরি সোনা ও ১০ লাখ টাকার আসবাবপত্র।উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছেন ৫৪ লাখ ৫৪ হাজার ৭৭ টাকা। এসব তথ্যে তার অর্জনকালীন মূল্য দুই কোটি ১১ লাখ ২৬ হাজার ৮০৩ টাকা। তিনি সবশেষ তিন লাখ ৪৭ হাজার ৬০০ টাকা আয়কর দিয়েছেন। কাজল কায়েস/এসআর/এএসএম