রোনালদো শুধু কিংবদন্তি নন, বড় হৃদয়ের মানুষও: মদ্রিচ

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো শুধু একজন কিংবদন্তি ফুটবলারই নন, তিনি অনেক বড় হৃদয়ের অধিকারীও। যে সব সময় অন্যদের সাহায্য করে থাকে। এমন মন্তব্য করেছেন তার সাবেক ক্লাব সতীর্থ লুকা মদ্রিচ। তবে মেসি-রোনালদোর মাঝে কে সেরা? এই প্রশ্নে কোনো নির্দিষ্ট একজনকে বেছে নেয়ার বদলে দুইজনকেই সমান মার্কিং করেছেন ক্রোয়াট মিডফিল্ডার।মেসি রোনালদোর শ্রেষ্ঠত্ব আপেক্ষিক। একেকজনের চোখে একেকজন সেরা। তাই এই বিতর্ক অনেকটা ছোট গল্পের সংজ্ঞার মতোই। তবুও যারা খুব কাছ থেকে দেখেছেন, তাদের ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন নিজেদের মতো করে। অনেকের মতে কাতার বিশ্বকাপ জিতে এই তর্কে দাঁড়ি টেনেছেন মেসি! যদিও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো নিজেই স্বীকার করেন না তা। সেরার বিতর্কে পর্তুগিজ মহাতরকা সব সময়ই নিজেকে এগিয়ে রেখেছেন মেসির চেয়ে। তার তুলনাটা কেবল ফুটবল কেন্দ্রিক। কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদে তার লম্বা সময়ের সতীর্থ লুকা মদ্রিচ এবার সিআরসেভেনকে নিয়ে এমন এক তথ্য দিয়েছেন, যা কখনোই নিজে প্রকাশ করেননি রোনালদো। মদ্রিচ বলেন, ‘এটা এমন এক প্রশ্ন, যেটা আমি পছন্দ করি না। তারা দুজনই একটা নির্দিষ্ট সময় প্রতিনিধিত্ব করেছে। ক্রিস্টিয়ানোর প্রতি আমার টানটা একটু বেশি, কারণ আমি তার সঙ্গে খেলেছি। রিয়াল মাদ্রিদে সে আমার সতীর্থ ছিল। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, সে শুধু একজন দারুণ ফুটবলারই নয়, একজন অসাধারণ মানুষও। অনেকেই এই বিষয়টা জানে না। কিন্তু তার হৃদয়টা বিশাল, সবসময় অন্যদের সাহায্য করতে প্রস্তুত। সে খুবই সহজ-সরল, সাধারণ একজন মানুষ।’ আরও পড়ুন: ২০২৫ সালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এমবাপ্পে, মেসি-রোনালদো কত নম্বরে? রোনালদোর সঙ্গে মদ্রিচের খেলা হলেও, কখনোই মেসিকে সতীর্থ হিসেবে পাননি তিনি। বরং স্পেনে থাকার সময় সব সময়ই খেলেছেন প্রতিপক্ষ হিসেবে। এছাড়াও গেলো দুটো বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়ে হারের তিক্তা আছে দু'জনেরই। যদিও সেরা ফুটবলার বেছে নিতে সেসব অতীত নিয়ে ঘাটতে নারাজ ক্রোয়াট অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘মানুষ হিসেবে মেসিকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি না, তবে আমার কোনো সন্দেহ নেই সেও অসাধারণ একজন মানুষ। আর খেলোয়াড় হিসেবে সে দুর্দান্ত। আমাদের হয়তো এক দলে খেলা হয়নি। কিন্তু সে এমন কিছু অর্জন করেছে যা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই।’ আরও পড়ুন: স্পেনের কোচের চাওয়া মেসি বিশ্বকাপ খেলুক আরও একটা বিশ্বকাপ চলে আসছে দোরগোড়ায়। এটাই যে মেসি এবং রোনালদোর শেষ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কে সেরা এই বিতর্কে সময় নষ্ট না করে ফুটবল পায়ে বিশ্বমঞ্চে তাদের শেষ নৈপুণ্য দেখার অপেক্ষায় ভক্তরা।