মুগদায় এএসআই কামরুলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর মুগদা মান্ডার একটি বাসা থেকে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।শুক্রবার (২ জানুয়ারি) মুগদা থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করেন। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। রাঙ্গামাটি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) কর্মরত কামরুল হাসানের (৩০) বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ডালপা গ্রামে। তার বাবার নাম নূর মিয়া। মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন মিয়া জানান, খবর পেয়ে শুক্রবার দুপুরে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিনি আগে ঢাকায় ছিলেন। কিছুদিন হয় বদলি হয়ে রাঙ্গামাটি চলে যান। তবে তার পরিবার মুগদার মান্ডার ওই বাসায় থাকতেন। তিনি জানান, দুই মেয়ে এবং স্ত্রী কয়েকদিন আগে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। তবে ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় কামরুল টুর্নামেন্টের কারণে ঢাকায় আসেন এবং একাই বাসায় ছিলেন। শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে তিনি এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।কামরুলের বড় ভাই জসিম উদ্দিন মাস্টার জানান, কামরুলের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস এবং দুই মেয়ে কিছুদিন আগে কুমিল্লার মুরাদনগরে গ্রামের বাড়িতে যান। কামরুল এবিপিএনের ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়। টুর্নামেন্টের কারণে ডিসেম্বরে ১৭ তারিখে তিনি রাঙ্গামাটি থেকে ঢাকায় এসে মুগদার ওই বাসায় ছিলেন। শুক্রবার দুপুরে মুগদার ওই বাসার প্রতিবেশীদের মাধ্যমে তারা খবর পান, বাসায় গলায় ফাঁস দিয়েছেন কামরুল। পরবর্তী তারা ৯৯৯ এর মাধ্যমে থানায় খবর দেন। গলায় ফাঁস দেয়ার কারণ জানাতে পারেনি স্বজনরা।