টাঙ্গাইল-৫ আসনে বিএনপি থেকে ধানের শীষের মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। নিজের ও স্ত্রীর রয়েছে বাড়ি ও গাড়ি। ব্যাংকে রয়েছে স্থায়ী আমানত। টুকুর নামে ২৩৮টি মামলা হয়েছে। মামলাগুলোর মধ্যে তিনটি থেকে অব্যাহতি এবং দুটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। বাকি মামলাগুলো থেকে তিনি খালাস পেয়েছেন। টুকুর নগদ টাকা রয়েছে ৩ লাখ ৩৭ হাজার ২৯২ টাকা। তবে টুকুর বিপরীতে তার স্ত্রী নামে দুই গুণের বেশি নগদ টাকা রয়েছে ৮ লাখ ১৫ হাজার ৭৯৫ টাকা। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মহিউদ্দিন মিঞার ছেলে। তিনি বিকম পাশ। জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে দলীয় মনোনয়নপত্র জমাকৃত হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি। হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, টুকুর বার্ষিক আয় এক কোটি ৪৯ লাখ ৯৫ হাজার ১৪১ টাকা। তার স্ত্রী সায়মা পারভীন সিম্মির বার্ষিক আয় ৫৪ লাখ ৪২ হাজার ১২৬ টাকা। টুকুর বাড়ি ভাড়া ও কৃষি কৃষি খাত থেকে বার্ষিক আয় না থাকলেও ব্যবসা থেকে বার্ষিক আয় এক কোটি ২৯ লাখ ৬৩ হাজার ৮৯৩ টাকা। তবে তার স্ত্রী বাড়ি ও দোকান ভাড়া থেকে বার্ষিক পান ৭ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। শেয়ার সঞ্চয়পত্র কিংবা ব্যাংক আমানত থেকে টুকু সুদ পান ১০ লাখ ১৫ হাজার ৬২৪ টাকা। ফার্ম থেকে বার্ষিক আয় ১০ লাখ ১৫ হাজার ৬২৪ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ অর্থের পরিমাণ ৩ লাখ ৩৭ হাজার ২৯২ টাকা। স্ত্রীর রয়েছে ৮ লাখ ১৫ হাজার ৭৯৫ টাকা। নিজের ব্যাংকে জমা ১৭ কোটি ৪৪ লাখ ৪ হাজার ৫১ টাকা। সঞ্চয়পত্র আমানত রয়েছে ২৯ লাখ ১৩ হাজার ৯৫০ টাকা। স্ত্রীর ব্যাংকে জমা রয়েছে ৭৪ লাখ ৩৯০ টাকা। উপহার হিসেবে টুকুর ৪৫ ভরি ও স্ত্রীর ৮০ ভরি সোনা রয়েছে। টুকুর ফ্রিজ ও টিভি ও ফ্যানের মূল্য ৫০ হাজার টাকা এবং খাট ও আলমারির মূল্য ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া বাস, ট্রাক, মোটরযান ও মোটরসাইকেল ইত্যাদির বিবরণীতে অধিগ্রহণকালীন মূল্য ২৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী টুকুর টাঙ্গাইলে ৫ দশমিক ৭৭৫ শতাংশ জমি পেয়েছেন। মোট অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৫ কোটি ১০ লাখ ৫৫ হাজার ২৯৭ টাকা। এছাড়া মোট স্থাবর সম্পদের মূল্য এক কোটি ৫০ হাজার টাকা। আয়কর রিটার্নে দেখানো টুকুর সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ১৫ লাখ ২৪ হাজার ৭৯৬ টাকা। আয়ের পরিমাণ এক কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার ৩২৫ টাকা। হলফনামা ঘেঁটে জানা যায়, টুকুর নামে বিভিন্ন থানায় ২৩৮টি মামলা হয়েছে। এরমধ্যে তিনটি মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দুটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। বাকি মামলাগুলো থেকে তিনি খালাস পেয়েছেন। আব্দুল্লাহ আল নোমান/আরএইচ/এমএস