বলে বলে এক রানের কম করে দিলে সেটাকে কিপটে বোলিং বলা যায়। ওভারপ্রতি ৭-এর বেশি করে দিলে হয়তো সেটা আর সম্ভব নয়। তবে ২০ ওভারের ম্যাচে রান যখন দুশোর বেশি উঠে, তখন সেটাকে কিপটে বোলিং না বলে উপায় কী! রিশাদের ৪ ওভারে ২৯ রান খরচের স্পেলটি তাই এই ক্যাটাগরিতেই পড়ে।উইকেট না পাওয়া রিশাদ যে কিপটে বোলিং করেছেন, সেটার প্রমাণ তার সতীর্থরাও। সিডনি থান্ডারের ২০৫ রান করার ম্যাচে হোবার্ট হারিকেন্সের ৭ জন বোলার হাত ঘুরিয়েছেন। এদের মধ্যে ৬ জনই রান দিয়েছেন ওভারপ্রতি ৯-এর বেশি করে, একমাত্র রিশাদের ইকোনমি রেটই (ওভারপ্রতি ৭.২০) ৮-এর নিচে।হোবার্ট হারিকেন্সের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ইকোনমি রেহান আহমেদের। ১ ওভারে ১৫ রান দেওয়ার পর তার হাতে আর বল তুলে দেননি অধিনায়ক নাথান এলিস। সবচেয়ে বেশি রান দিয়েছেন অবশ্য তিনিই। ৪৬ রান দিলেও এলিস নিয়েছেন একটি উিইকেট। রিলে মেরেডিথ ৪ ওভারে উইকেটবিহীন থেকে খরচ করেছেন ৩৮ রান।আরও পড়ুন: সাকিবের ম্যাচসেরা পারফরম্যান্সে ফাইনালে এমআই এমিরেটসথান্ডারের কোনো বোলারও রিশাদের চেয়ে ভালো ইকোনমিতে বল করতে পারেননি। ভালোর মধ্যে ক্রিস গ্রিন ২৩ বলে দিয়েছেন ৩২ রান। নাথান ম্যাকঅ্যান্ড্রু ৩ ওভারেই খরচ করেন ৪৫। তাদের পিটিয়ে ১১ বল হাতে রেখেই ২০৭ রান করে ফেলে হোবার্ট। তাদের জয়টি ৬ উইকেটে। এই জয় দিয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠেছে হোবার্ট। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মেলবোর্ন রেনেগাদসের পয়েন্ট ৮। থান্ডার ২ পয়েন্ট নিয়ে আছে সবার নিচে।রান তাড়ায় হোবার্টের হয়ে মূল কাজটা করেছেন টিম ওয়ার্ড। ৪৯ বলে ১০ চার ও ৩ ছয়ে এই ওপেনার করেন ৯০ রান। ভালো সঙ্গ ছিল মিচেল ওয়েনেরও। ১৮ বলে ৫ ছয় ও ২ চারে তিনি করেন ৪৫। বাকিদের মধ্যে নিখিল চৌধুরী ২৯, রেহান আহমেদ ১৬, ম্যাথু ওয়েড ১৩ ও বেন ম্যাকডারমথ ১০ রান করেন।হারলেও ম্যাচসেরা হয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার। তার ৬৫ বলে অপরাজিত ১৩০ রানের ইনিংসেই তো দুশোর বৈতরণী পার হয় থান্ডার। বাকিদের মধ্যে ম্যাডিসন ৩০, স্যাম বিলিংস ২০ ও ডানিয়েল সামস ১৪ রান করেন।