ঢাকা-২০: ইটভাটার দৌরাত্ম্যে হারাচ্ছে কৃষিজমি, লাগাম টানবে কে?

ছোট বড় শিল্প কারখানা থাকলেও ইট ভাটার নগরী হিসেবে পরিচিত ঢাকার ধামরাই উপজেলা। ১৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই আসনে ভোটার প্রায় পৌনে চার লাখ। ভাঙা রাস্তায় বছরজুড়ে যাতায়াত করেই কাটছে জীবন; এমন অভিযোগ কালামপুর, সুতিপাড়া, গাংগুটিয়া, চৌহাটসহ একাধিক ইউনিয়নের ভোটারদের। যত্রতত্র গড়ে ওঠা ইট ভাটা আর দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় হুমকিতে পরিবেশ। এমন নানা চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি-জামায়াতসহ ৬ প্রার্থী।ভোটের বাকি আর মাত্র ৩৯ দিন। ঢাকা-২০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ প্রার্থী। এর মধ্যে বিএনপির তমিজ উদ্দিন, জামায়াতে ইসলামীর আব্দুর রউফ, এনসিপির নাবিলা তাসনিদ, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিশের আশরাফ আলী, জাতীয় পার্টির আহছান খান ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের আরজু মিয়া।ধামরাই উপজেলায় মহাসড়কের পাশ ঘেঁষে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ছোট-বড় কল কারখানা। ১৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার এই আসনে সবকিছু ছাপিয়ে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে চোখে পড়বে একের পর এক ইটভাটা।এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভাটার কারণে ধ্বংস হয়েছে ফসলি জমি, কমেছে উৎপাদন। ভাঙা রাস্তা মেরামত না হওয়ায় বর্ষায় ভোগান্তি বাড়ে রোগী ও শিক্ষার্থীদের। এমনকি নির্বাচিত হবার পর আর দেখা মেলে না জনপ্রতিনিধির।আরও পড়ুন: শনিবারের পত্রিকা /‘তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান হচ্ছেন,’ ‘ভোট ঘিরে মহাপ্রস্তুতি’অভিযোগের কমতি নেই কালামপুর থেকে শুরু করে পৌরসভার বাসিন্দাদের। মাদকের উৎপাতের সঙ্গে অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বেড়েছে পরিবেশ দূষণ।জামায়াত প্রার্থী মো. আব্দুর রউফ জানান, নির্বাচিত হলে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি দূর করবেন সবার আগে।অন্যদিকে, বাকস্বাধীনতা ও ইতিবাচক সমালোচনাকে স্বাগত জানিয়ে সমস্যা সমাধানে কাজ করতে চান বিএনপি প্রার্থী মো. আতিকুর রহমান।উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য বলছে, ১৬টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার এই আসনে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৫ হাজার ৪২৬ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৮৭ হাজার ২৭৫ জন। মোট ভোটার ৩ লাখ ৭২ হাজার ৭০৩ জন। স্থায়ী ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৪৭টি ও ভোট কক্ষ রয়েছে ৭১০টি।