হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকার ৬ পয়েন্টে অবস্থানের ঘোষণা

জুলাই অভ্যুত্থানের নেতা শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে মার্চ ফর ইনসাফ কর্মসূচি করছে ইনকিলাব মঞ্চ। শনিবার থেকে নতুন এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে ঢাকার ৬ স্পটে (জায়গায়) অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হলো- শাহবাগ, ধানমন্ডি, পল্লবী, মিরপুর-১০, উত্তরা ও মোহাম্মদপুর। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিনগত রাত পৌনে ১১টার দিকে ইনকিলাব মঞ্চের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনের অগ্রসেনানি, ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার রূপকার শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারসহ ইনকিলাব মঞ্চ ঘোষিত চার দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে \'মার্চ ফর ইনসাফ\' কর্মসূচি রোববার দুপুর ১২টায় শুরু হবে। এদিন ঢাকার শাহবাগ, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, মিরপুর ১০, পল্লবী ও উত্তরায় অবস্থান কর্মসূচি করা হবে। ইনকিলাব মঞ্চের চার দফা দাবি হলো-১. খুনি, খুনের পরিকল্পনাকারী, খুনের সহায়তাকারী, পলায়নে সহযোগী, আশ্রয়দাতাসহ পুরো খুনিচক্রের আগামী ২৪ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে। আরও পড়ুনজুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার কর্মকাণ্ডের দায়মুক্তি দাবি ভারতে নয়, শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার প্রস্তাব করেছি  ২. বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয়র ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে। ৩. ভারত তার অভ্যন্তরে আশ্রয় নেওয়া সব খুনিকে ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করতে হবে। ৪. সিভিল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্টের দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর গণসংযোগ শেষে ফেরার পথে রাজধানীর বিজয়নগরে বক্স কালভার্ট সড়কে চলন্ত রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে পাঠিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। তবে তাকে বাঁচানো যায়নি। গত ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ১৯ ডিসেম্বর তার মরদেহ দেশে আনা হয়। ২০ ডিসেম্বর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে হাদির জানাজা হয়। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে তাকে শায়িত করা হয়। এএএইচ/কেএসআর