আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।রোববার (০৪ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন থেকে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। ইসির তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় দাখিল করা মনোনয়নপত্রের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে মোট ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ইসি জানায়, এবারের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র গ্রহণের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৪০৬টি, যার বিপরীতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ২ হাজার ৫৬৮ জন প্রার্থী। ১২ ফেব্রুয়ারি-২০২৬ গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।েআজ সারাদিন পর্যন্ত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই চলে। রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ কোন প্রার্থী বা কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা কোন সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান অথবা প্রার্থী কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি নির্বাচন কমিশনে আগামীকাল সোমবার (৫ জানুয়ারি) হতে (৯ জানুয়ারি) বিকাল ৫টা পর্যন্ত আপিল দায়ের করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে নিম্নরূপভাবে আপিল দায়ের করতে হবে- মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল: আপিল আবেদন কমিশন সচিবালয়ের সচিবের নিকট নির্ধারিত ফরমেটে দায়ের করতে হবে। আপিল দায়েরকালে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ সম্বলিত বিবৃতি এবং মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণ আদেশের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে। আপিল আবেদনের ১টি মূলকপিসহ সর্বমোট ৭টি কপি দাখিল করতে হবে। আপিল আবেদন নির্বাচন কমিশনের আপিল আবেদন গ্রহণ সংক্রান্ত কেন্দ্রে স্ব স্ব অঞ্চলের নির্ধারিত বুথে জমা দিতে হবে। আপিল আবেদন সোমবার (৫ জানুয়ারি) হতে (৯ জানুয়ারি) ২০২৬ তারিখ বিকাল ৫ টার মধ্যে দাখিল করতে হবে। আপিল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা রায়ের কপি প্রাপ্তির জন্য নির্ধারিত ফরম-এ আবেদন দাখিল করতে হবে। উক্ত ফরমের নমুনা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ হতে সংগ্রহ করা যাবে। আপিল দায়েরকারী অথবা আপিল দায়েরকারীর পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তি: মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত আপিলসমূহ নির্বাচন কমিশন আগামী ১০ জানুয়ারি হতে ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে নিষ্পত্তি করবে। নির্বাচনী আচরণ বিধি অনুসরণ: সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী বা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি এবং সরকারী সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুসরণ করতে হবে।'