ইয়েমেনের বন্দর নগরী মুকাল্লায় বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এসটিসির ক্যাম্পে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি সমর্থিত গোষ্ঠী। গেল একদিনে দেশটিতে শতাধিক বিমান হামলা হয়েছে বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি। এসব হামলার নিন্দা জানালেও রিয়াদের সংলাপ প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছে এসটিসি।মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হয়েছে নতুন এক সংঘাত। ইয়েমেনের দক্ষিণে বিচ্ছিন্নতাবাদী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল বা এসটিসি’র অবস্থানের ওপর একের পর এক বিমান হামলা চালায় সৌদি আরব। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার, ইয়েমেনের বন্দর নগরী মুকাল্লায় সংযুক্ত আরব আমিরাত সমর্থিত এসটিসির একটি সামরিক ক্যাম্পে নতুন করে বিমান হামলা চালানো হয়। এসটিসির দাবি, পশ্চিম মুকাল্লার বারশিদ ব্রিগেড ক্যাম্পই ছিল মূল লক্ষ্য। এসটিসির দাবি, গেল একদিনে ঘণ্টায় হাদরামাউত জুড়ে শতাধিক সৌদি বিমান হামলা হয়েছে। এই হামলার মধ্যেই সৌদি-সমর্থিত বাহিনী মুকাল্লা শহরের নিয়ন্ত্রণ ফের নিতে অভিযান চালাচ্ছে। আরও পড়ুন: ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলকে স্বাধীন করার ঘোষণা দিলো এসটিসি স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শহরটি এখন হাদরামাউত ট্রাইবস কনফেডারেশন ও ন্যাশনাল শিল্ড ফোর্সেসের দখলে। হাদরামাউতের সামরিক কমান্ডার জানান, বারশিদ ক্যাম্পে হামলা জরুরি ছিল, কারণ এটি এডেন বন্দরের পথে অবস্থিত। চলমান হামলার মধ্যেই রিয়াদের সংলাপ প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছে এসটিসি। এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সৌদি আরবের এ উদ্যোগ ইয়েমেনের জনগণের আকাঙ্ক্ষা রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তবে একই সঙ্গে তারা সৌদি বিমান হামলার নিন্দা জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভাজনের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হুতি বিদ্রোহীরা। ফরাসি গণমাধ্যম ডয়চে ভেলের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিয়াদ ও আবুধাবি দক্ষিণে ব্যস্ত থাকলে উত্তরে ইরান সমর্থিত এ গোষ্ঠীর ওপর চাপ কমবে। বিদ্রোহী গোষ্ঠী এ সংঘাতকে দুই দখলদারের সংকট বলে মন্তব্য করেছে।