মিয়ানমারে সাগাইংয়ের একটি স্কুলে বিমান হামলা চালিয়েছে জান্তা বাহিনী। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। চলমান সহিংসতার মধ্যেই প্রথম দফার ভোটে এগিয়ে থাকার দাবি করেছে সেনাসমর্থিত দল ইউএসডিপি।সাগাইং অঞ্চলের তাবাইন টাউনশিপের মুকাংই গ্রামে বিমান হামলা চালিয়েছে জান্তা বাহিনী। আশ্রয়শিবির হিসেবে ব্যবহার করা স্কুলটিতে ছিলেন অন্তত ১০০ জন বাস্তুচ্যুত বাসিন্দা। জান্তার বোমার আঘাতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানায় স্থানীয় গণমাধ্যম। স্থানীয়রা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলটির পাশে থাকা বাড়িগুলোও বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর আগেও একই গ্রামে হামলায় প্রাণ হারান ছয়জন বাস্তুচ্যুত। খাবার ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকটে দিন কাটছে মান্দালয় থেকে পালিয়ে সাগাইংয়ে যাওয়া মানুষদের। গেল বছরের ২৮ ডিসেম্বর থেকে মিয়ানমারে শুরু হয়েছে নির্বাচন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলছে, প্রথম ধাপের ভোটে সেনা সমর্থিত ইউএসডিপি দল বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছে। আরও পড়ুন: মিয়ানমারে প্রতিরোধ বাহিনীর হামলায় ৪০ জান্তা সেনা নিহত তবে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫২ শতাংশ, যা দেশটিতে হওয়া বিগত নিবার্চনের তুলনায় কম। জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, এই নির্বাচন অবাধ ও বিশ্বাসযোগ্য নয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। তবে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে সংশয় বিভিন্ন মহলে সংশয় থাকায় তা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবে কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।