অতিরিক্ত দামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বিক্রি করা খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এলপিজি অপারেটরদের সংগঠন এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব)।রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে এলপিজির মূল্য হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে অনুষ্ঠিত সভায় এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, শীতের জন্য জাহাজ ভাড়া বৃদ্ধি, ইউরোপে শীতকালে জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কিছু কারণে সরবরাহে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে। আরও পড়ুন: এলপিজির ঘোষিত দাম খুচরা পর্যায়ে মানার বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে পারব না: বিইআরসি চেয়ারম্যান তবে দেশে এলপিজির বর্তমান মজুত সন্তোষজনক। আমদানি পর্যায়ে কোনো সিলিং থাকবে না মর্মেও সভায় আলোচনা হয়। এরপরও লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কিছু খুচরা বিক্রেতা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করছেন। যার ফলে ভোক্তারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে লোয়াব অতিরিক্ত মূল্যে এলপিজি বিক্রি করা খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটি জানায়, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা, এলপিজি খাতে স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা বজায় ও সরকার নির্ধারিত ন্যায্য মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি ও আইন প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। এদিকে, রোববার ভোক্তা পর্যায়ে জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দাম রোববার সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হয়েছে।