সুন্দরবনে অপহৃত ২ পর্যটক ও রিসোর্ট মালিক উদ্ধার

সুন্দরবনের খালে ভ্রমণের সময় অপহৃত দুই পর্যটক ও এক রিসোর্ট পরিচালককে উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে কোস্ট গার্ড ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে ওই তিনজনকে উদ্ধার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলনার দাকোপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান। তিনি জানান, যৌথ অভিযানে দাকোপের বানিয়াশান্তা ইউনিয়নে অবস্থিত রিসোর্টসংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। সোমবার এ বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে। এর আগে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) নারী-পুরুষসহ চার পর্যটক ঢাকা থেকে সুন্দরবনে ঘুরতে আসেন। এদিন দুপুরে তারা সুন্দরবনের ঢাংমারী এলাকায় অবস্থিত ‘রিসোর্ট গোল কানন’-এ বুকিং দিয়ে ওঠেন। পরে বিকেলে রিসোর্ট মালিক শ্রীপতি বাছাড়সহ চার পর্যটক নৌকায় চড়ে বনের ছোট খালে ঘুরতে বের হন। আরও পড়ুন: দুই দিনেও উদ্ধার হয়নি সুন্দরবনে অপহৃত তিন পর্যটক এ সময় রিসোর্টসংলগ্ন ওই খাল থেকে নারীসহ ৫ জনকে তুলে নেয় সশস্ত্র দস্যুরা। রাতে দুই নারী পর্যটককে রিসোর্টে ফিরিয়ে দেয় দস্যুরা। তবে রিসোর্ট মালিক ও দুই পুরুষ পর্যটককে জিম্মি করে রাখে। অপহরণের পর দস্যুরা মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করেছিল বলে জানা গেছে। অপহরণের পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করে থানা পুলিশ, নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ড সদস্যরা। চিন্থিত দুই পর্যটকের নাম সোহেল ও জনি। তারা ঢাকার বাসিন্দা। তাদের বিস্তারিত পরিচয় ও সঙ্গে থাকা নারীদের পরিচয় এখনও স্পষ্ট করা হয়নি। তবে অপহরণের বিষয়টি নিয়ে প্রথম থেকেই রিসোর্ট মালিক ও রিসোর্ট মালিকদের সংগঠন একধরনের লুকোচুরি করে আসছিল। এদিকে বন বিভাগের দাবি, ওই পর্যটকরা অনুমতি ছাড়াই সুন্দরবনে প্রবেশ করেছিলেন। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র দাস বলেন, ‘ওই পর্যটকরা কোনো অনুমতি না নিয়েই বনে প্রবেশ করেছিলেন। ওই রিসোর্ট মালিক কেন এমনটি করলেন, সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে।’