মাদুরোর সম্পদ জব্দ করল সুইজারল্যান্ড

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং ‘তাৎক্ষণিকভাবে তার সাথে যুক্ত অন্যান্য ব্যক্তিদের’ সম্পদ জব্দ করেছে সুইস সরকার।সুইস সরকার জানিয়েছে, এই ধরনের সম্পদ দেশ থেকে বাইরে নিয়ে যাওয়া রোধ করার জন্য এটি করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আইনি প্রক্রিয়ায় যদি দেখা যায় যে সেগুরো অবৈধভাবে অর্জিত হয়েছে, তাহলে সুইজারল্যান্ড ভেনেজুয়েলার জনগণের কাছে তা ফেরত দেয়ার চেষ্টা করবে। ২০১৮ সাল থেকে ভেনেজুয়েলার ওপর সুইজারল্যান্ডের নিষেধাজ্ঞা জারি আছে, যার মধ্যে ৫৪ জনের সম্পদ জব্দ এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত। যদিও সুইজারল্যান্ডে মাদুরোর ঠিক কী ধরনের সম্পদ আছে তা স্পষ্ট নয়। তবে ফাঁস হওয়া নথির ওপর ভিত্তি করে একটি সুইস সংবাদপত্রের ২০২১ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুইস প্রসিকিউটররা প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার সম্বলিত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করেছেন, যা ভেনেজুয়েলার সরকারি তহবিল থেকে আত্মসাৎ করা হয়ে থাকতে পারে।  আরও পড়ুন: চরম আগ্রাসনেও ‘সাহসী’ মাদুরোর হাসিমুখ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, মাদুরোর সম্পদ জব্দের এই আদেশ সোমবার (৫ জানুয়ারি) তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত চার বছরের জন্য বৈধ থাকবে। এদিকে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার থেকে ম্যানহাটনের ফেডারেল কোর্টহাউসে স্থানান্তর করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। আল জাজিরা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার দুপুর ১২টার দিকে মার্কিন জেলা জজ অ্যালভিন কে. হেলারস্টেইনের সামনে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে মাদুরোর। বিবিসি বলছে, মাদুরোকে হেলিকপ্টারে করে ম্যানহাটনে নেয়া হয়েছে। তার সঙ্গে একজন নারীকেও দেখা গেছে, যিনি তার স্ত্রী বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের বেশ কয়েকজন এজেন্ট  ছিলেন মাদুরো এবং তার স্ত্রীর পাহারায়। হেলিকপ্টার থেকে নামানোর সময় মাদুরো ও তার স্ত্রীকে কয়েদির মতো পোশাকে দেখা গেছে বলেও জানায় বিবিসি।