পঞ্চগড় পৌরসভায় জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় বাস্তবায়িত সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন প্রকল্পে ৭৫টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে। আর সেই লাইট প্রায় ৯৯ লাখ ৮৬ হাজার ৩২৪ টাকায় ক্রয় করায়, অতিরিক্ত মূল্যে ক্রয়ের অভিযোগে তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক।বাজার মূল্যের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি দামে সরঞ্জাম ক্রয়ের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে পঞ্চগড় পৌরসভায় এই এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করে দুদক। অভিযানের নেতৃত্ব দেন দুদকের ঠাকুরগাঁও সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আজমির শরিফ মারজী।অভিযানে এনফোর্সমেন্ট টিম পৌরসভার প্রশাসক, নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রকল্পের বিভিন্ন ডকুমেন্টস পর্যালোচনা করেন। দুদক জানায়, প্রায় ৯৯ লাখ ৮৬ হাজার ৩২৪ টাকা ব্যয়ে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে মোট ৭৫টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পর্যালোচিত রেকর্ডপত্রে দেখা যায়, প্রতিটি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপনে ব্যয় দেখানো হয়েছে এক লাখ ৩৩ হাজার ১৫০ টাকা, যা বাজারমূল্যের তুলনায় অতিরিক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে।অভিযানকালে দুদক টিম পৌরসভার চারটি ভিন্ন স্থান থেকে সোলার স্ট্রিট লাইট, সোলার প্যানেল ও ব্যাটারির মডেলের ছবি সংগ্রহ করে। এসময় স্থানীয় বাসিন্দারা কয়েকটি সোলার স্ট্রিট লাইট অকেজো অবস্থায় রয়েছে বলে জানান।আরও পড়ুন: সারজিসকে সমর্থন জানিয়ে পঞ্চগড়-১ আসন থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াতের প্রার্থীদুদকের সহকারী পরিচালক মো. আজমির শরিফ মারজী বলেন, আমাদের কাছে অভিযোগ ছিল স্ট্রিট লাইটগুলে বাজার মূল্যের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি দামে ক্রয় করা হয়েছে। আমরা রেকর্ডপত্রসহ কোন কোম্পানির লাইটগুলো বাস্তবে লাগানো হয়েছে- সেগুলোরও তথ্য সংগ্রহ করেছি, পরবর্তীতে ফিল্ডেও ভিজিট করেছি। আমরা কোম্পানির সঙ্গেও কথা বলবো। আমরা সার্বিক তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কমিশনে পাঠাবো এবং কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।