পুরো লেখাটির বেশিরভাগই আপত্তিকর: সানজিদা তন্বি

সোশ্যাল মিডিয়ার একটি পোস্টে ‘রাজনীতিতে অনাগ্রহী তন্বি বিয়েশাদি করে অন্যদিকে ব্যস্ত’ বলে মন্তব্য করা হয়েছে। তারই জবাবে নিজের ভেরিফায়েড প্রোফাইলে একটি পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক সানজিদা আহমেদ তন্বি। ৬ জানুয়ারি রাত ৮টা ২৩ মিনিটে করা পোস্টে তিনি লিখেছেন, গত দুইদিনে বেশ কয়েকজন মানুষ আমাকে লেখাটা পাঠিয়েছেন। আইডি ঘেটে লেখকের পরিচয় স্পষ্টতই শিবির বা ওই ঘরানার বলে মনে হলো। পুরো লেখাটির বেশিরভাগই আপত্তিকর। অবশ্য এর সঙ্গে পরিচিত আমি। সেই ডাকসু নির্বাচন থেকে, পদ ছাড়া বা পদধারী অনেকেই দোষ খুঁজে বেড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। আমার দোষ, আমি তাদের কোর একজন নেতার বিরুদ্ধে লড়েছি বা হারিয়েছি। শিবির করা বা শিবির সাপোর্ট করা মানুষদের দ্বিচারিতা আমার অনেক মজা লাগে। এত সহজে ধরা যায়! আশানুরূপ কাজ করতে পারিনি সত্যি (সীমাবদ্ধতারও অভাব নাই), কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গ্রুপে কোন হলের একজন শিবির সমর্থিত সম্পাদক যেন লিখেছিল, আমি কোনো কাজই করিনি। অথচ তার দুদিন আগেই আমার আয়োজনে দুই দিনব্যাপী বড় একটি কর্মশালা নেমেছিল। সে এমন এক শিবির সমর্থিত ডাকসু সম্পাদকের কাজ আমার থেকে বেশি বলেছে, লিটারেলি সে তখনো সিঙ্গেল একটি কাজও করে নাই। আরও পড়ুনআমি শিক্ষার্থীদের ভোটে জিততে চাই: তন্বি ‘এত বড় ভূমিকম্প আমার জীবনে দেখিনি’  এই পোস্টে আমার বিয়ের প্রসঙ্গ আনা হলো। বিয়ে করেই আমি অযোগ্য হয়ে গেছি। কিন্তু কিছুদিন আগে এই মানুষগুলোই সিনেট সদস্য ও ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সাবিকুন নাহার তামান্নার দুই সন্তানের মা হওয়াকে গ্লোরিফাই করেছেন। মা হয়ে ডাকসুর দায়িত্ব (অবশ্য তাকে দুইদিনও ডাকসুতে দেখিনি, সিনেটের কোনো কাজে এসেছেন কি না জানি না) সামলানো যায় কিন্তু বিয়ে করলে যায় না! আর বিয়েতে যদি দোষই হয়ে থাকে তাহলে আমার ঠিক একদিন আগে বিয়ে করা ফরহাদ ভাই, মহিউদ্দিন ভাইও দোষী। নাকি ছেলে-মেয়ের মানদণ্ড আলাদা। বিয়ের পর মেয়েদের সংসার ছাড়া আর কোনো দায়িত্ব থাকতে পারবে না? শুধু জুলাইয়ের ফেস হওয়ার জন্য মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছে বলার ট্রাই করানো হয়েছে সেই ডাকসু থেকে। ইভেন অ্যাকাডেমিক প্রসঙ্গও টেনে আনে। শুধু নিজেদের দিকে না তাকিয়ে দয়াকরে খোঁজ নিতে শিখুন। আর জুলাইয়ের স্টেক নেওয়ার জন্য আপনারা বা আপনাদের নেতারা যে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে যায়, নিজেদের জুলাইয়ের ধ্বজাধারী প্রমাণ করতে চায়, তখন জুলাই ব্যবহার হয় না? আপনারা পরমতসহিষ্ণু হতে শিখুন, সহযোগিতার মনোভাব বাড়ান; যেটার প্রচণ্ড অভাব আছে আপনাদের।’ >> সানজিদা আহমেদ তন্বির পোস্ট  এসইউ