৪৪ জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ, শিশুদের জন্য যে পরামর্শ চিকিৎসকদের

কনকনে শীতে কাপঁছে দেশ। ৪৪ জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ। তীব্র শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। জ্বর, সর্দি, নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের হার অন্য সময়ের চেয়ে ২৫ শতাংশ বেশি। এ অবস্থায় শিশুদের উষ্ণ রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।রাজধানীতে প্রায় অপরিবর্তিতই দিন ও রাতের তাপমাত্রা। জেঁকে বসেছে শীত। শীতের তীব্রতায় রাজধানীর ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবন হয়ে উঠেছে আরও কঠিন। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে বেড়েছে দুর্ভোগ। কর্মব্যস্ত শহরে শীতের আমেজ উপভোগের সুযোগ কম থাকলেও কুয়াশা ভেদ করে ওঠা হালকা রোদ উপভোগ করেন অনেকেই। আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, রাজধানীতে আগামী ২ থেকে ৩ দিন সূর্যের দেখা মেলার সম্ভাবনা থাকলেও আসন্ন সপ্তাহে বাড়তে পারে কুয়াশা। আরও পড়ুন: বিজিবির শীতবস্ত্র পেলেন পঞ্চগড় সীমান্তের পাঁচ শতাধিক শীতার্ত সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জলি বলেন, ২ থেকে ৩টি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের এবং ১ থেকে ২টি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ থাকতে পারে। সেই প্রেক্ষাপটে ঢাকার তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। এদিকে, শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগবালাই। হাসপাতাল ও ক্লিনিকে বেড়েছে সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা। চিকিৎসকরা বলছেন, বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে শীতে ঠান্ডাজনিত রোগবালাই বেড়ে যায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বেশি। তাই শীতে শিশুদের উষ্ণ রাখতে বাড়তি সতর্কতার পরামর্শ তাদের। আরও পড়ুন: রোদহীন আকাশ আর হাড়কাঁপানো হিমেল বাতাসে কাঁপছে চায়ের জনপদ বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক (ডা.) মো. মাহবুবুল হক বলেন, শিশুদের শ্বাসকষ্ট এবং খাওয়া বন্ধ হয়ে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। ঠান্ডা-কাশির জন্য দোকানে গিয়ে যেন অ্যান্টিবায়োটিক না নেয়া হয়। শুধু শিশুরাই নয়, ষাটোর্ধ্বদের ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে বলে জানান চিকিৎসকরা। আবহাওয়া সংক্রান্ত আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে