রিকশাচালক জয়নাল আবেদিনের মৃত্যুর পর মানুষ চিন্তা করেছিল হাসপাতালটি বন্ধ হয়ে যাবে। তবে বাবার মৃত্যুর পর প্রবাসী ছেলে হাসপাতালের হাল ধরেছেন।