স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা হত্যার পেছনে থাকতে পারে ৩ কারণ

স্থগিত থাকা স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটিতে বড় পদ, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রার্থীতা করা ও এলাকার জনপ্রিয়তা এই তিন কারণে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা পরিবার ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের। পুলিশও এই তিন কারণ ধরেই করছে তদন্ত। পাশাপাশি চেষ্টা চলছে শুটারের পরিচয় বের করে গ্রেফতারের।বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় ছিন্নমূলের মতো বস্তা নিয়ে রাস্তায় বসে ছিল শুটার। টার্গেট নাগালে আসতেই ফিল্মি স্টাইলে গুলি করে হত্যা করা হয় আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে।  মুসাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম জানান, রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে অনেকেই ঈর্ষা করতেন মুসাব্বিরকে। হত্যার হুমকিও পেয়েছেন বেশ কয়েকবার। তবে, নিজের এলাকায় এভাবে খুন হবেন, তা কল্পনার বাইরে। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় ৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেছেন তিনি। আরও পড়ুন: স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুসাব্বিরের সঙ্গে স্ত্রীর শেষ কথা কী ছিল?এদিকে, ঢাকা মেডিকেলের মর্গে মুসাব্বিরের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পেটে ও হাতে দুইটি গুলিতেই তার মৃত্য হয়েছে।সকাল থেকেই হাসপাতালে ভিড় করেন রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা। অভিযোগ করেন, কমিটিতে বড় পদ ও কাউন্সিলর নির্বাচন করতে চাওয়াই কাল হয়েছে তার। ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার মো. ইবনে মিজান জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে একজন শুটারের ছবি পাওয়া গেছে। চলছে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা। পাশাপাশি, রাজনৈতিক কারণে হত্যা কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আরও পড়ুন: মুসাব্বিরকে গুলি করে হত্যা: সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল