আবহাওয়ার পরিবর্তনে বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। এর অধিকাংশ সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, বঙ্কালাইটিস, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট সহ ডায়রিয়া রোগে চিকিৎসা নিচ্ছে রোগীরা।মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ধারণ ক্ষমতার তিনগুণ রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে । সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে জানাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে পুরুষ বিভাগে ৩০ শয্যার বিপরীতে ভর্তি রয়েছে ৭৩ জন, গাইনি বিভাগে ৩৫ বিপরীতে ভর্তি রয়েছে ৬৫ জন রোগী এবং শিশু ও মহিলা সার্জারি বিভাগে ৪০ জনসহ ডায়রিয়া বিভাগেও রয়েছে রোগীর সংখ্যা ধারন ক্ষমতার দ্বিগুণ। হাসপাতালটিতে ১০০ শয্যার বিপরীতে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৩২০ জন রোগী। আরও পড়ুন: মেহেরপুরে ১৪টি স্কুলের ৬৯ শিক্ষকই ভুয়া!ভর্তি হতে আসা রোগীরা অনেকেই বেড না পেয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন হাসপাতাল এর বারান্দা বা মেঝেতে। সুস্থ হতে এসে আরো অসুস্থ হয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।চিকিৎসকরা বলছেন, এই শীতে ঠান্ডা থেকে বাঁচতে গরম কাপড় ও গরম পানি খাওয়া দরকার। এছাড়া শিশুদের ডায়রিয়া হলে দ্রুত খাবার স্যালাইন কিংবা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ নিতে হবে বলে জানালেন মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ কামিজ নাইমা।ভর্তি রোগের পাশাপাশি মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে দৈনিক প্রায় হাজারখানেক রোগী বর্হিবিভাগের চিকিৎসা নিচ্ছে।