মহাসড়কের পাশে তিতাসের গ্যাস লিকেজে টানা আগুন, চরম ঝুঁকিতে শিল্পকারখানা

গাজীপুরের ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের একেবারে পাশেই কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর পল্লীবিদ্যুৎসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকায় তিতাস গ্যাসের ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন থেকে দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস লিকেজ হয়ে আগুন জ্বলছে। দিনের পর দিন আগুন জ্বলতে থাকলেও এখনো বন্ধ হয়নি গ্যাস সরবরাহ কিংবা নেয়া হয়নি স্থায়ী মেরামতের উদ্যোগ। এতে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন পথচারী ও আশপাশের শিল্পকারখানার হাজারও শ্রমিক।জানা গেছে, কালিয়াকৈর তিতাসের আঞ্চলিক কার্যালয়ের পাশেই গত প্রায় দুই মাস ধরে ভূগর্ভস্থ গ্যাস লাইন ফেটে বের হওয়া গ্যাসে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের প্রায় ৩০০ ফুট এলাকাজুড়ে এ গ্যাস লিকেজ ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।ব্যস্ত এই মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারও যানবাহনের পাশাপাশি বিভিন্ন শিল্পকারখানার শ্রমিকদের চলাচল রয়েছে। এমন অবস্থায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন শ্রমিক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান মালিক ও পথচারীরা।স্থানীয়রা দ্রুত গ্যাস লিকেজ বন্ধ করে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে দফায় দফায় তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) আবারও গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন জ্বলতে থাকার খবরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসে তিতাস কর্তৃপক্ষ। তবে দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে স্পষ্ট কোনো উত্তর দিতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।আরও পড়ুন: গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজে দগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যুএ বিষয়ে তিতাসের চন্দ্রা জোনাল অফিসের ব্যবস্থাপক আল মামুন বলেন, ‘গত দুই বছর ধরে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন অংশের গ্যাস লাইনে লিকেজ রয়েছে। এরইমধ্যে ২৫টির বেশি লিকেজ মেরামত করা হয়েছে। স্থায়ী সমাধানের জন্য কী করা যায় সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা চলছে।’এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে গ্যাস লিকেজ বন্ধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।