নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, শান্তি পুরস্কার ভাগ করা, ফিরিয়ে দেয়া বা স্থানান্তর করা যাবে না। নোবেল বিজয়ী এবং ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে এই পুরস্কার দিতে চান বলে ঘোষণা করার পর এই বিবৃতি দিলো নোবেল কমিটি।‘নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহার, ভাগাভাগি বা অন্যদের কাছে হস্তান্তর করা যাবে না। একবার ঘোষণা হয়ে গেলে, সিদ্ধান্তটি সবসময়ের জন্য বহাল থাকবে।’ নোবেল কমিটির বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে। ট্রাম্প শনিবার (১০ জানুয়ারি) বলেছেন, আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফরে আসবেন মাচাদো। সে সময় তিনি তাকে মাচাদোর নোবেল পুরস্কার দেয়ার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করবেন। এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক এবং দেশটির বিশাল তেল মজুদের উপর ট্রাম্পের দাবির পর যুক্তরাষ্ট্র-ভেনিজুয়েলার মধ্যে উত্তেজনা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আরও পড়ুন:ভেনেজুয়েলায় দ্বিতীয় হামলা বাতিল করেছেন ট্রাম্প, কারণ কী ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি তিনি আসতে চান এটা খুবই ভালো, এবং আমি বুঝতে পারছি এর কারণ এটাই।’ মাদুরোকে গ্রেফতার করে মাদক-সন্ত্রাস ষড়যন্ত্র, অন্যান্য অভিযোগের জন্য বিচারের মুখোমুখি করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আনার পর, মাচাদো দেশের শীর্ষ পদ গ্রহণ করেননি। পরিবর্তে, ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ মাদুরোর স্থলাভিষিক্ত হন। ট্রাম্প অতীতে অনেকবার নিজেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য প্রার্থী হিসেবে দাবি করেছেন। তার দ্বিতীয় মেয়াদের আট মাসের মধ্যে আটটি যুদ্ধের অবসান ঘটানোর জন্য নিজেকে কৃতিত্ব দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেছিলেন যে, ‘আপনাদের বন্ধ হওয়া প্রতিটি যুদ্ধের জন্য একজনের নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত। এগুলো ছিল বড় যুদ্ধ। সেসব এমন যুদ্ধ ছিল যা অন্য কেউ থামাতে পারার কথা ভাবেওনি।’ আরও পড়ুন:মাচাদো নোবেল পুরস্কার দান করলে সাদরে গ্রহণ করবেন ট্রাম্প এদিকে, আগামী সপ্তাহে মাচাদোর মার্কিন সফরের বিষয়ে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে থাকবেন। আমাদের দেশের প্রতি, বিশেষ করে আমার প্রতি অভিনন্দন জানাতে। কিন্তু আপনি জানেন আমি আমার দেশের প্রতিনিধি, অন্য কিছু নয়। সূত্র: এনডিটিভি