প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে দিনাজপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি হয়েছে। শনিবার (১০জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয় ছাত্রশক্তি দিনাজপুর জেলা শাখার আয়োজনে এই মানববন্ধন হয়। জাতীয় ছাত্রশক্তির জেলার সভাপতি হয়রত আলী অনিকের সভাপতিত্বে এসময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলার সাবেক আহ্বায়ক একরামুল হক আবির বক্তব্য রাখেন। একরামুল হক আবির বলেন, আগে কোটার মাধ্যমে অযোগ্য শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছিলো। এখন ইলেকট্রিক ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দিয়ে অযোগ্যদের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এই সরকার প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে করতে ব্যর্থ হয়েছে। সারাদেশে অসংখ্য পরীক্ষার্থী ইলেকট্রিক ডিভাইসসহ গ্রেফতার হয়েছে, প্রশ্নফাঁস হয়েছে। এই পরীক্ষা নিয়ে নানারকম প্রশ্ন উঠেছে। যারা ক্ষমতায় বসে ও ক্ষমতায় আসার জন্য এই পরীক্ষা নিয়ে কোনো কথা বলছেন না, তাদের ধিক্কার জানাই। তিনি আরও বলেন, যারা বলেন মেধাবীরা বাংলাদেশে থাকতে চায় না, দেশ মেধা শূন্য হচ্ছে, তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, কেন মেধাবীরা থাকেন না তার প্রমাণ হলো এই পরীক্ষা। আমরা মেধাবীদের মূল্যায়ন করতে পারি না, তাই তারা এ দেশে থাকতে চান না। যারা নীতি নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে এই ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষকতায় আসছেন, তারা আর যাই হোক আপনার আমার সন্তানকে সঠিক শিক্ষা দিতে পারবে না। তাই আমরা এই পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানাচ্ছি। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে দিনাজপুরসহ সারা দেশে অসংখ্য পরীক্ষার্থী আটক হয়েছে। এমদাদুল হক মিলন/এমএন