ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের (আকু) কার্যক্রমে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সন্দেহজনক ইঙ্গিতগুলো ৮০ শতাংশ কমে এসেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। আকুর এই জিরো টলারেন্স নীতি অব্যহত থাকবে উল্লেখ করে আজ (১১ জানুয়ারি) এক বিবৃতি দিয়েছে বিসিবি।সম্প্রতি আকুর বিরুদ্ধে নিয়ম লঙ্ঘন করে বিদেশি খেলোয়াড়দের রুমে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ এবং ব্যাটিংয়ে নামার আগে ব্যাটারকে জিজ্ঞাসাবাদের মতো অভিযোগ তুলেছে ঢাকা ক্যাপিটালস। তারা জানিয়েছে, এসব ঘটনায় খেলোয়াড়রা বিরক্ত হওয়ার পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়ছে।তবে এবার এসব নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিসিবি। তারা জানায়, অ্যালেক্স মার্শালের নেতৃত্বাধীন বিসিবি বিসিবি ইন্টেগ্রিটি ইউনিট বিশ্বস্ত সূত্রে পাওয়া ইঙ্গিতগুলোর ভিত্তিতে আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের ফ্রেময়ার্কের মধ্যে থেকে রুটিন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এটা বিসিবির জিরো টলারেন্স নীতি এবং ক্রিকেটকে দুর্নীতিমুক্ত করার প্রয়াসের অংশ। আরও পড়ুন: একই দলের হয়ে মাঠে নামলেন বাবা-ছেলে, ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটেই প্রথমবারবিসিবি আরও জানায়, আইসিসি অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের নিয়মনীতি অনুযায়ী কাজ করে ইন্টেগ্রিটি ইউনিট। বিসিবি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, আকুর কাজের মাধ্যমে কোনোভাবেই কোনো খেলোয়াড় বা ফ্র্যাঞ্চাইজির অধিকার লঙ্ঘন হয়নি। বিসিবির দাবি, আকুর এসব কার্যক্রমে বিপিএলে সন্দেহজনক ইঙ্গিতের পরিমাণ আগের তুলনায় ৮০ শতাংশ কমে এসেছে।অভিযোগের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে বিসিবি জানায়, স্ট্যান্ডার্ড ইন্টেগ্রিটি প্রসেসের অংশ হিসেবে কিছু বিদেশি খেলোয়াড়ের সঙ্গে তাদের দলে যোগদান প্রক্রিয়া, চুক্তি এবং পারিশ্রমিক নিয়ে একান্ত কথোপকথন করেছে আকু। তারা আরও জানায়, এসব বৈঠক গোপন ধরনের, তবে এই বৈঠকের মানে এটা নয় যে ওই খেলোয়াড় দোষী বা সন্দেহভাজন।