নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত করতে ষড়যন্ত্র চলছে

নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত করতে ষড়যন্ত্র চলছে। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী যারা আছে তাদের আইনের আওতায় এনে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান চট্টগ্রাম-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান।রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর জামালখানে একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘এক সময় নির্বাচনটা ছিল একটা উৎসব। ঈদের মত আনন্দ নিয়ে সবাই সপরিবারে ভোট কেন্দ্রে যেত। কিন্তু বিগত দিনে জনগণের ওপর আস্থা হারিয়ে সরকার সেই ভোটের দিনকে আতঙ্কের দিনে পরিণত করেছে গুলি বোমা ককটেল এগুলো ফাটিয়ে।’তিনি আরও বলেন, ‘চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ সাহেবের গণসংযোগে গুলিবর্ষণ হয়েছে, একজন মারা গেছেন। তারপর ঢাকায় ওসমান হাদি সন্ত্রাসীদের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেছেন।আরও পড়ুন: বগুড়া-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী কাজী রফিকুলের প্রার্থিতা হাইকোর্টে বৈধআবু সুফিয়ান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের সেই কালো অধ্যায় থেকে বেরিয়ে নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করতে চাই। মানুষের মধ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রবণতা আমরা দেখতে পাচ্ছি।’বিএনপির এই প্রার্থীর মতে, অন্য সব ভোটের চেয়ে এবার বেশি মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাবে। তার প্রত্যাশা, উৎসমবুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। জনগণ স্বাচ্ছন্দ্যে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে আবার ঘরে ফিরতে পারবেন এবং জনগণের প্রদত্ত ভোটের ফলাফল প্রকাশিত হবে।এ সময় চট্টগ্রাম-৯ আসনের ওই বিএনপি প্রার্থী আরও বলেন, ‘আমরা এ সমস্ত ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে নিতে পারি না। আমরা মনে করি, এটা নির্বাচনের পরিবেশকে বিঘ্নিত করার জন্যে কোনো না কোনো মহল, যারা নির্বাচন করতে চান না, যারা নির্বাচনকে বন্ধ করতে চান, তাদের কাজ।’আরও পড়ুন: নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে, ইইউ পর্যবেক্ষক দলকে প্রধান উপদেষ্টাতিনি বলেন, ‘প্রশাসনের প্রতি আমাদের আহ্বান, যারা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, বেআইনি কর্মকাণ্ড করে তাদের কঠোরভাবে আইনের আওতায় এনে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। এটা প্রশাসনের দায়িত্ব। প্রার্থী হিসেবে প্রশাসনকে যেটুকু সহযোগিতা করার সেটুকু আমরা করতে চাই।’মতবিনিময়ের সময় আরও বক্তব্য রাখেন: চট্টগ্রাম-৯ আসনের বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী আবুল হাশেম বক্কর, নগর বিএনপি নেতা শামসুল আলম, আহমদুল আলম চৌধুরী রাসেল ও এস এম সাইফুল আলম।আরও উপস্থিত ছিলেন: সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, বিএনপি নেত্রী মনোয়ারা বেগম মনি, ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইসমাইল বালি।