তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে ইউনেট ও ইয়ুথ হাবের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর

যুবদের আধুনিক দক্ষতা উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু করল ‘ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক (ইউনেট)’ এবং ‘ইয়ুথ হাব’।শনিবার (১০ জানুয়ারি) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত ইয়ুথ হাব-এর প্রধান কার্যালয়ে এই দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।এই চুক্তির আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে যুবসমাজের ক্ষমতায়নে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বব্যাপী যুব ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে একযোগে কাজ করার ঘোষণা দেন সংশ্লিষ্টরা। আরও পড়ুন:মালয়েশিয়া থেকে ডাকযোগে ভোট দেবেন ৮৪ হাজার বাংলাদেশিসমঝোতা চুক্তিতে ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক–ইউনেট এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির সহ প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিল। অন্যদিকে, ইয়ুথ হাব এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন এর সহ প্রতিষ্ঠাতা পাভেল সারওয়ার।চুক্তি অনুযায়ী, উভয় প্রতিষ্ঠান চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুবসমাজ ও উদ্যোক্তাদের প্রস্তুত করতে কাজ করবে।  তাদের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে; দক্ষতা উন্নয়ন: সফট স্কিলস, এসটিইএএম শিক্ষা, এবং ইন্টারনেট অফ থিংস বিষয়ক প্রশিক্ষণ। প্রযুক্তি শিক্ষা: স্কুল পর্যায় থেকেই কোডিং-এর মৌলিক বিষয় ও প্রোগ্রামিংয়ের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তোলা।  সচেতনতা বৃদ্ধি: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মশালা, শিক্ষা ও সনদ প্রদান কর্মসূচি এবং উদ্ভাবন ও প্রতিযোগিতা, শিশু-কিশোর ও তরুণদের অংশগ্রহণে নিয়মিত প্রযুক্তিভিত্তিক হ্যাকাথন আয়োজন।ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক (ইউনেট) একটি বাংলাদেশভিত্তিক বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম, যা মূলত নেতৃত্ব বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে যুব ক্ষমতায়নে কাজ করে।  অপরদিকে, ইয়ুথ হাব একটি আন্তর্জাতিক যুবনেতৃত্বাধীন সংগঠন, যা প্রযুক্তি শিক্ষা, জেন্ডার সমতা, সামাজিক উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছে। আরও পড়ুন:মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চলতি বছরেই চূড়ান্ত করতে চায় বাংলাদেশ: হাইকমিশনারএই সমঝোতার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তিনির্ভর আগামীর বিশ্বের জন্য নিজেদের আরও কার্যকরভাবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলে উভয় পক্ষের সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।