‘আর মাত্র ৩০ দিন’, ‘দেশে বন্ধ ৮৮ লাখের বেশি সিম’

প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় সোমবার (১২ জানুয়ারি) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো।আর মাত্র ৩০ দিন - দৈনিক মানবজমিনের প্রধান খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘনিয়ে আসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।  ভোটের আগে সময় মাত্র ৩০ দিন। ইতিমধ্যে সারা দেশে ভোটের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। আগামী ২১শে জানুয়ারি প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দ পাবেন। এরপর থেকেই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা। ভোটের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু না হলেও ভোটারের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন প্রার্থীরা।   নানা অনুষ্ঠান, কর্মসূচির মাধ্যমে নিজেদের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন। ভোটের লড়াইয়ে জিততে নানা কৌশল সাজাচ্ছেন। প্রার্থিতা চূড়ান্তের পর দলগুলো তাদের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করবে। দলীয় প্রধানসহ শীর্ষ নেতারা ছুটবেন সারাদেশে। ভোটের প্রচারের পাশাপাশি দলের পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরবেন তারা।গণভোট নিয়ে এখানো জোরালো প্রচার নেই - দৈনিক প্রথম আলোর সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচে দিনে একই সঙ্গে সংস্কার তথা জুলাই জাতীয় বাস্তবায়নে ভোট হবে। ভোটের বাকি মাত্র এক নির্বাচন নিয়ে আলোচনা থাকলেও গণভোট নিয়ে তেমন দৃশ্যমান হয়নি।   রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কারের পক্ষে কথা বললেও গণভোট নিয়ে এখন পর্যন্ত তাদের বড় ধরনের প্রচার নেই। গণভোটের প্রচারে অন্তবর্তী সরকার অবশ্য নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু সেসব উদ্যোগ...।সুষ্ঠু ভোটে এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান সংবাদ এটি।  প্রতিবদনটিতে বলা হয়েছে, আর এক মাস পরেই ১২ ফেব্রুয়ারি বহু প্রত্যাশিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ১০ দিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচার। নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নির্বাচন নিয়ে এখনো গুজব ছড়িয়ে সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টির অপচেষ্টা হলেও নির্বাচন ঠেকানোর মতো প্রতিকূল তেমন কোনো পরিস্থিতি নেই। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৬০টি দলের মধ্যে ৫১টি দল অংশ নিচ্ছে।  কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন স্থগিত থাকা দল আওয়ামী লীগ এবং এই দলের সহযোগী কয়েকটি ছোট দল এ নির্বাচনে থাকছে না। তবে নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা অবশ্য এটাও বলছেন যে নির্বাচন কমিশনের জন্য এখনো বড় ধরনের কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে।সীমানা নিয়ে আদালতের আদেশ, ভোটে বিপত্তি - দৈনিক সমকালের প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তফশিল ঘোষণার পরও সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে উচ্চ আদালতে একাধিক রিট চলছে। সংবিধান অনুযায়ী, সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নিয়ে আদালতে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই।   তবে ইসি এবারের নির্বাচনে যে ৪৬ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করেছিল, এর ১৪টি নিয়ে হাইকোর্ট এরই মধ্যে আদেশ দিয়েছেন। পাবনা-১ এবং পাবনা-২ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের গেজেট আদালত স্থগিত করায় আসন দুটির ভোটের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। ভোট নিয়ে দলগুলোর মধ্যেই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা - দৈনিক যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আছে মাত্র এক মাস। ভোটের ডামাডোলে এখন পুরো দেশ। অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে ব্যস্ত সময় পার করছে নির্বাচন কমিশনও। তবে নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা রয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে পরপর সংঘটিত কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এ শঙ্কা আরও বেড়েছে।  এজন্য কেউ কেউ নির্বাচন ভন্ডুলের ষড়যন্ত্রের কথাও বলছেন। এর মধ্যেই দলগুলোর অভিযোগ ও পালটা অভিযোগে কোথাও কোথাও উত্তেজনাকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দলগুলো বলছে, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে এখনো নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দেশে বন্ধ হয়েছে ৮৮ লাখের বেশি সিম - দৈনিক বণিক বার্তার সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন, সাইবার নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা দিতে গ্রাহকপ্রতি ১০টির বেশি সিমকার্ড বাতিল করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এতে দেশের ৮৮ লাখেরও বেশি সিমকার্ড বন্ধ হয়েছে। আরও এক লাখ সিম মামলাসংক্রান্ত কারণে আটকে রয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে মোবাইল ব্যবহারকারী ও মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারে। কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে কমছে গ্রাহক। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিমের সংখ্যা পাঁচটিতে নামিয়ে আনা হলে এ খাতে আরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।