রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা হলেও কার্যত কোনো অগ্রগতি নেই বললেই চলে। এর ওপর নতুন সংকট, মিয়ানমার সীমান্তে বাড়ছে নিরাপত্তা ঝুঁকি। রাখাইনে সংঘাতে ছোড়া মর্টার শেল ও গুলির আঘাতে প্রায়ই হতাহত হচ্ছেন সীমান্তের বাংলাদেশি নাগরিকরা। এতে সীমান্তজুড়ে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। এ অবস্থায় সামরিক কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর পরামর্শ বিশ্লেষকদের।রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে আহত হয় শিশুসহ ২ বাংলাদেশি। এর মধ্যে জীবন শঙ্কায় গুলিবিদ্ধ শিশুটি। এর আগেও নাইক্ষ্যংছড়ি, ঘুমধুমসহ সীমান্ত এলাকাগুলোতে মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টার শেল বাংলাদেশের ভেতরে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। আরও পড়ুন: মিয়ানমারের সংঘাতে পালিয়ে এলো রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৫৩ সদস্য রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন থমকে থাকা কিংবা মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে সীমান্তে মর্টার-গুলিতে বাংলাদেশিদের হতাহতের ঘটনায় কূটনৈতিক সমাধানে গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, আগামী দিনে নির্বাচিত সরকারের জন্যও কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়াবে রোহিঙ্গা সংকট ও মিয়ানমার ইস্যু। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, আরাকান আর্মি না হয় তামাদোর ফায়ারিংয়ের কারণে বাংলাদেশে মানুষ জখম হয়েছে। এমনকি মারা যাওয়ার কিছু ঘটনাও ঘটেছে। এর সঙ্গে বর্তমানে আরও যেটা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেটা হচ্ছে গ্লোবাল ফান্ড কমে আসছে। তাই সব মিলিয়ে এটা একটা চ্যালেঞ্জ। আরও পড়ুন: মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে টেকনাফে শিশু আহত অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘আমাদের কূটনীতির একটা বড় দুর্বলতা হচ্ছে যে, আমরা সামরিক কূটনীতি ব্যবহার করতে পারিনি। আমরা ভালো করেই জানি যে, ওপাশে সামরিক বাহিনীই ক্ষমতায় রাখে, বিশেষ করে তামাদোর কথা যদি বলি, আবার আরাকান আর্মির কথাও যদি বলি, সেটাও তো সামরিক কাঠামো।’