ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, খুব শিগগির দেশজুড়ে ইন্টারনেট সেবা পুনরুদ্ধার করা হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার এ বিষয়ে অগ্রগতির জন্য নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করছে। খবর আল জাজিরার। আব্বাস আরাঘচি বলেন, দূতাবাস এবং সরকারি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও সংযোগ পুনরুদ্ধার করা হবে। ইরানের বিভিন্ন শহরে চলমান আন্দোলন দমনে টানা চার দিন ধরে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে। এর আগে ইরানে ইন্টারনেট পুনরুদ্ধারের বিষয়ে স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্কের সঙ্গে কথা বলার পরিকল্পনার কথা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেন, এ ধরনের কাজে তিনি (মাস্ক) খুব দক্ষ। তার একটি অসাধারণ কোম্পানি আছে। এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ইরানে ব্যবহৃত স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক নিয়ে মাস্কের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। এর আগে মাস্ক ২০২২ সালের বিক্ষোভের সময়ও ইরানিদের ওপর সরকার আরোপিত বিধিনিষেধ এড়াতে স্টারলিংক সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। মাহসা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তখনকার আন্দোলনের সময় বাইডেন প্রশাসন মাস্কের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইরানে স্টারলিংক চালুর বিষয়ে সহযোগিতা করে। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং তীব্র মুদ্রাস্ফীতির কারনে বর্তমানে ইরানে যে বিক্ষোভ চলছে তার সূত্রপাত হয় গত ২৮ ডিসেম্বর। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাব অনুযায়ী এই আন্দোলনে পাঁচ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে এবং হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি। টিটিএন