চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাথে জড়িত থাকা অভিযুক্ত আইন বিভাগের শিক্ষক হাসান মাহমুদ রোমানের পুনর্বাসন, চাকসু নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে সাইবার বুলিং ও হুমকি, এবং কিছু গণমাধ্যমের বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদনের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)।রোববার (১২ জানুয়ারি) বেলা ১২টা ৩০ মিনিটে চাকসু কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন চাকসুর সাধারণ সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব ও ভিপি ইব্রাহিম রনি। সংবাদ সম্মেলনে চাকসু নেতারা অভিযোগ করেন, একাধিক গুরুতর অভিযোগ ও চলমান তদন্ত থাকা সত্ত্বেও হাসান মোহাম্মদ রোমানকে ভর্তি পরীক্ষার সময় পরীক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। বিষয়টি নজরে এলে চাকসু নেতৃবৃন্দ তাকে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেন। তবে মামলা না থাকায় পরবর্তীতে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। চাকসুর দাবি, রোমানের ব্যবহৃত ডিজিটাল ডিভাইস থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এ অবস্থায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের গণহত্যার বিচারের দাবিতে রাস্তায় নামল চাকসু সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় চাকসুর নারী নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে সাইবার বুলিং, চরিত্রহনন ও হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীল ভাষা, নারী-বিদ্বেষী মন্তব্য এবং এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অশ্লীল ভিডিও ছড়ানোর কথাও বলা হয়। আরও পড়ুন: ‘মবের ভয়ে’ পালাচ্ছিলেন চবি শিক্ষক, ধরে প্রক্টর অফিসে দিলো চাকসু নেতারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত দ্রুত শেষ করা, সাইবার হুমকির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নারী নেতৃবৃন্দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানায় চাকসু।