কুড়িগ্রামে গত কয়েক দিন কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে বোরো ধানের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নতুন বীজতলাও অঙ্কুরিত হচ্ছে না, ফলে ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।গত কয়েকদিন উত্তরাঞ্চলে ছিল কনকনে শীতের সঙ্গে ঘন কুয়াশার দাপট। পাওয়া যায়নি প্রয়োজনীয় সূর্যের আলো। এতে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কয়েকশ একর জমির বীজতলার বেশিরভাগই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরজমিনে দেখা যায়, বীজতলা হলুদ রঙ ধারণ করছে এবং নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, দেরিতে তৈরি বীজতলাও শীত ও কুয়াশার কারণে অঙ্কুরিত হচ্ছে না। আবাদ মৌসুমে নতুন বীজতলা তৈরির সময়ও না থাকায় কৃষকরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। চাষিরা জানিয়েছেন, শীত ও কুয়াশার প্রকোপ থেকে বীজতলাকে রক্ষা করা যাচ্ছে না, যা বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বাধা সৃষ্টি করছে। আরও পড়ুন: ময়মনসিংহ / শৈত্যপ্রবাহে বোরো বীজতলায় পচন, চাষিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ এরই মধ্যে ৫৩ হেক্টর জমির বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষি বিভাগ পরামর্শ দিয়েছে, বীজতলা রক্ষার চেষ্টার পাশাপাশি অন্য এলাকা থেকে বোরো চারা এনে সমন্বয় করে রোপণ করতে। কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ তানভীর আহমেদ সরকার বলেন, প্রায় ৫৩ হেক্টর বোরো বীজতলা শীতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষকদের আমরা বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছি। যদি শৈত্যপ্রবাহ বা বিরূপ আবহাওয়া বেশি প্রকোপ দেখায় এবং বোরো চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে বিকল্প পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হবে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় ৬ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও এ পর্যন্ত অর্জন হয়েছে ৫ হাজার ৮৯৫ হেক্টর।