শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণভোটের প্রচারণার নির্দেশ, ‘হ্যাঁ’ ভোটে গুরুত্ব

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে গণভোট বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। এবার দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় গণভোট নিয়ে ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে ‘হ্যাঁ’ ভোটে গুরুত্বারোপ করতে বলা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পৃথক চিঠিতে গণভোট নিয়ে প্রচারণা চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে জুলাই জাতীয় সনদের আলোকে সংবিধান সংস্কারের ওপর ভোটারদের মতামত দিতে বলা হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) এ চিঠি ইস্যু করা হয়। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এ চিঠি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানো হয়েছে। দুই অধিদপ্তর থেকে জারি করা পৃথক নির্দেশনায় বলা হয়, দেশের সা সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণভোটের লোগো সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন দৃষ্টিনন্দন স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি সব যোগাযোগ ও দাপ্তরিক চিঠিপত্রে গণভোটের লোগো ব্যবহার করতে হবে। মাউশির সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. খালিদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় বলা হয়, গণভোটের বিষয়ে ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে সকল সরকারি যোগাযোগে (পত্র, আদেশ, প্রজ্ঞাপন, পরিপত্র ইত্যাদি) নির্বাচনের পূর্ব পর্যন্ত গণভোটের নির্ধারিত ‘লোগো’ ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া অধিদপ্তরের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কলেজ ও দপ্তরে অন্তত দুটি করে ব্যানার প্রতিষ্ঠানের সম্মুখভাগে দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যদিকে একই তারিখে মাদরাসা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ আরিফুর রহমান মজুমদারের সই করা নির্দেশনার চিঠিতে বলা হয়, অভিভাবক সমাবেশ এবং শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে এ বার্তা পরিবারে পৌঁছে দিতে হবে। প্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ড ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও গণভোট নিয়ে প্রচারণা চালাতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রচারিত সচেতনতামূলক ব্যানারে ‘হ্যাঁ’ ভোটের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলা হয়েছে। ব্যানারে ‘পরিবর্তনের চাবি এবার আপনার হাতে’ শীর্ষক স্লোগান দিতে বলা হয়েছে। জানা গেছে, জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এ উল্লিখিত রাষ্ট্র সংস্কারের মৌলিক প্রস্তাবগুলোর ওপর জনগণের রায় নিতে গণভোট হবে। গণভোটের মাধ্যমে সংস্কার প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে— প্রধানমন্ত্রী পদে সর্বোচ্চ ১০ বছরের মেয়াদসীমা, জাতীয় সংসদে উচ্চকক্ষ গঠন, নির্বাচন কমিশন ও পিএসসি গঠনে সরকারি ও বিরোধী দলের যৌথ ভূমিকা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা প্রভৃতি। এএএইচ/এমআইএইচএস