ড্রোন হামলার হুমকি মোকাবিলায় ১১৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার বাড়াতে বড় বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিশ্বকাপের ভেন্যুগুলোতে সম্ভাব্য ড্রোন হামলার হুমিকি মোকাবিলায় ১১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ। খেলা দেখতে আসা দর্শকদের নিরাপত্তায় বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেবে না আয়োজক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।আকাশ উড়ে বেড়াচ্ছে একটি ড্রোন। ঠিক উপরে থাকা আরেকটি শক্তিশালী ড্রোনের মাধ্যমে জাল বিছিয়ে ভূপতিত করা হলো সেই ড্রোনটি। পরে একটি রোবটের মাধ্যমে করা হচ্ছে হচ্ছে পরীক্ষা নীরিক্ষা। ফিফা বিশ্বকাপের আয়োজন উপলক্ষ্যে ড্রোন নিয়ে এভাবেই নিরাপত্তা মহড়া চালিয়েছে মার্কিন নিরাপত্তা সংস্থা। ফিফা বিশ্বকাপ ও যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা উৎযাপন ঘিরে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে ওয়াশিংটন। ড্রোন হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় ১১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউওরিটি। আরও পড়ুন: ৫০০ কোটি টাকায় বানানো ‘স্বপ্নের’ প্রাসাদ বিক্রি করছেন রোনালদো! ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ১ মিলিয়নের বেশি দর্শক যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন খেলা উপভোগ করতে। এছাড়া সারা বিশ্বে কোটি কোটি মানুষ টিভি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দ্যা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ উপভোগ করবেন। সবাই যেন নির্বিঘ্নে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো দেখতে পারে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া দর্শকদের নিরাপত্তায় বিন্দুমাত্র ছাড় দেবে না ট্রাম্প প্রশাসন। চলমান ইউক্রেণ যুদ্ধেই ড্রোন হামলার ভয়াবহতা দেখেছে সবাই। শুধু নজরদারি নয় ড্রোনের মাধ্যমে এখন চালানো যায় ভয়ংকর আক্রমণও। যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে সবার। আর বিশ্বকাপ চলাকালীন এই সমস্যা থেকে সমাধান পেতে আকাশ রক্ষায় নতুন প্রযুক্ত আনতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কিছুদিন আগেই ডিপার্টমেন্ট অব হোম সিকিউরিটির সাধারণ সম্পাদক ক্রিস্টি নোয়েম জানান সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় আকাশ প্রতিরক্ষার নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আরও পড়ুন: স্ক্যালোনির বিশ্বকাপ স্কোয়াডে যাদের জায়গা নিশ্চিত, লড়াইয়ে যারা ড্রোন প্রতিরোধে লেজার, মাইক্রোওয়েভ, ট্র্যাকিং সফটওয়্যার ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র প্রযুক্তি প্রস্তুত করছে প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলো। তবে বিশ্বকাপ ভেন্যুতে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার হবে—তা এখনও স্পষ্ট করেনি কর্তৃপক্ষ। এর আগে মার্কিন ফেডারেল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি বিশ্বকাপ আয়োজনকারী ১১টি অঙ্গরাজ্যকে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের অনুদান দিয়েছে ড্রোন প্রতিরোধ ব্যবস্থা কিনতে।