শরীয়তপুরে আবারও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের নৈরাজ্যের শিকার হয়ে প্রাণ হারালেন একজন। অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালে নেয়ার পথে মাঝপথে অ্যাম্বুলেন্স দুই দফা আটকে রাখা হয়। এতে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই রোগীর মৃত্যু হয়।অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের নৈরাজ্য থামছে না। অভিযোগ আছে, অপেক্ষাকৃত কম ভাড়ায় রোগী নিয়ে রওনা হলে অন্য অ্যাম্বুলেন্স মালিকরা মাঝপথে বাধা দেয়। অ্যাম্বুলেন্সকে আটকিয়ে রেখে দেয় সিন্ডিকেট চক্র। গত মঙ্গলবারও (১৩ জানুয়ারি) ঘটেছে এমনই এক ঘটনা। গুরুতর অবস্থায় বৃদ্ধ জামশেদ আলীকে নিয়ে স্বজনরা শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। অভিযোগ, সুমন ও মানিকসহ ৭ থেকে ৮ জন মাঝপথে দুই দফা অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখে। আরও পড়ুন: সিন্ডিকেটের বাধায় ৪০ মিনিট আটকা অ্যাম্বুলেন্স, প্রাণ গেল নবজাতকের এতে হাসপাতালে নেয়ার আগে পথেই মৃত্যু হয় ডামুড্যা উপজেলার বাসিন্দা জামশেদ আলীর। রোগীর স্বজনরা বলেন, এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অ্যাম্বুলেন্সের চালক জানিয়েছেন, সিগন্যাল দিয়ে গাড়ি থামিয়ে অভিযুক্তরা এসে গাড়ির চাবি নিয়ে নেয়। তারা জানায়, গাড়ি নিয়ে ঢাকা যেতে দেয়া হবে না। এসময় তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গতানুগতিক আশ্বাস পুলিশের। পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, ভাড়া কম পাওয়ায় রোগী ওই অ্যাম্বুলেন্সে উঠেছিলেন। এই কারণে অভিযুক্তদের সঙ্গে ঝামেলা হয় বলে জানা গেছে। এর আগে, গত বছরের ১৫ আগস্টও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের নৈরাজ্যের কারণে এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছিল।