দক্ষিণ কোরিয়ার কে-পপ সুপারগ্রুপ বিটিএস ভক্তদের জন্য সুখবর নিয়ে হাজির। চার বছরের বিরতির পর তারা বিশ্বজুড়ে কনসার্ট নিয়ে ট্যুরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে তাদের প্রথম বিশ্বপর্যটন শুরু করবে, জানিয়েছে ব্যান্ডটি। এই ট্যুর দিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রত্যাবর্তন হবে দলটির। পাশাপাশি তারা নতুন অ্যালবাম প্রকাশেরও প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিটিএস তাদের হিট গান যেমন ‘ডায়নামাইট’ এবং ‘বাটার’ স্পটিফাই-তে সবচেয়ে বেশি স্ট্রিমিং করা ব্যান্ডের রেকর্ড ধরে রেখেছে। এছাড়া তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিলবোর্ড চার্টে প্রথম কেপপ ব্যান্ড হিসেবে শীর্ষস্থান অর্জন করেছিল। তবে ২০২২ সালের পর থেকে ব্যান্ড কোনো ট্যুর বা নতুন গান প্রকাশ করেনি। কারণ সদস্যরা দেশের মিলিটারি সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। এখন সাতজন সদস্যই তাদের মিলিটারি দায়িত্ব শেষ করেছেন।আরও পড়ুন৮ দিন ধরে কথা বলতে পারছেন না শবনম ফারিয়া, কী হয়েছে অভিনেত্রীর?মনিরা মিঠুর কান্নায় বাজিমাত, কোটির ঘরে ‘সম্পর্কের গল্প’https://www.jagonews24.com/entertainment/news/1084392 নতুন অ্যালবাম মার্চে প্রকাশের পর এপ্রিল থেকে বিশ্বজুড়ে ট্যুরের জন্য বের হবে ব্যান্ডটি। ৩৪টি শহরে ৭৯টি কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্য দিয়ে কোনো কে-পপ ব্যান্ডের ইতিহাসে একটি সফরে সর্বোচ্চ কনসার্ট করার রেকর্ড গড়বে দলটি। দক্ষিণ কোরিয়ার শিল্পীর সর্ববৃহৎ আঞ্চলিক প্রচারণা হিসেবেও বিবেচিত হবে এই ট্যুর। বিশ্বট্যুরটি শুরু হবে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়াং শহর থেকে ৯ এপ্রিল। সেখানে তিনটি কনসার্টের পর তারা জাপান সফরে যাবে। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন শহরে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। ট্যুর শেষ হবে ২০২৭ সালের মার্চ মাসে মানিলা শহরে। বিটিএস দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য বিরাট একটা ব্যবসায়ের মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। মিলিটারি সেবা শুরুর আগে তারা প্রতি বছর দেশকে আনুমানিক ৫.৫ ট্রিলিয়ন ওয়ন আয় এনে দিতো। সেটি দেশের মোট জিডিপির প্রায় ০.২ শতাংশ। বিটিএসের বিশ্বজুড়ে কনসার্ট ট্যুরের ঘোষণা শেয়ার বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিশেষজ্ঞরা অনুমান করছেন, ট্যুরের পুরো সময়ের মধ্যে প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন দর্শক কনসার্টে অংশ নেবেন। আয় হবে কাড়ি কাড়ি টাকাও। এদিকে জানা গেল, বিটিএসের নতুন অ্যালবামটির এখনও নামকরণ হয়নি। এর আগের অ্যালবাম ‘প্রুফ’ ২০২২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে বেশি বিক্রিত রেকর্ড গড়েছিল। এলআইএ