শরীয়তপুরে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের কারণে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে মৃতের নাতি জোবায়ের হোসেন রুমান বাদী হয়ে পালং মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাত আরও পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে।আসামিরা হলেন: মামলায় সিন্ডিকেট সদস্য সুমন খান, সজীব, পারভেজ ও হান্নান।এর আগে এ ঘটনায় বিকেল ৫টায় শরীয়তপুর জেলা পুলিশ, সিভিল সার্জন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক, অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির সদস্যদের নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় আগামীতে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে না উল্লেখ করে মুচলেকা দেন অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতি।আরও পড়ুন: থামছেই না অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট নৈরাজ্য, শরীয়তপুরে এবার প্রাণ গেল বৃদ্ধেরআগামীতে এর ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম।এ বিষয়ে শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. রেহান উদ্দিন বলেন, ‘বাহিরের অ্যাম্বুলেন্স আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই তাদের ধরার কোনো এখতিয়ার নেই আমাদের। এটা প্রশাসনের কাজ।’আরও পড়ুন: নেত্রকোনায় চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ, চিকিৎসক পলাতকশরীয়তপুর পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামি সুমন খানকে আটক করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে অসুস্থ অবস্থায় সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ডামুড্ডা উপজেলার কুতুবপুর এলাকার বাসিন্দা ৭০ বছর বয়সী জমশেদ আলী ঢালিকে। অবস্থার অবনতি দেখে তাকে ঢাকা পাঠানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসক। এ সময় অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটদের কবলে পড়ে পথিমধ্যে দুই দফা দেড় ঘণ্টা সময় ক্ষেপণ হলে হৃদরোগে আক্রান্ত জমশেদ ঢালী হাসপাতালে নেয়ার আগেই মারা যান।