সোনাগাজীর খামার থেকে গরু চুরি, যেভাবে উদ্ধার হলো ১১টি

ফেনীর সোনাগাজীর একটি খামার থেকে চুরি হওয়া ১৬টি গরুর মধ্যে ১১টি উদ্ধার করেছে পুলিশ। চাঁদপুরের কচুয়া ও কুমিল্লার চৌয়ারা এলাকা থেকে চুরি হওয়া গরুর বড় একটি অংশ উদ্ধার করা হয়।ফেনী জেলা পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা ও চাঁদপুর-এই চার জেলার বিভিন্ন এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে গরুগুলো উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোহাগ (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুর রহমান জানান, পুলিশের একটি বিশেষ দল এই অভিযান পরিচালনা করে। গত ৬ জানুয়ারি কুমিল্লার বরুড়া থানার আকুসাইর এলাকা থেকে প্রথমে একটি গরু উদ্ধার করা হয় এবং একজনকে আটক করা হয়। এরপর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ১২ জানুয়ারি সোনাগাজী মডেল থানার মতিগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে আরও একটি গরু উদ্ধার করা হয়। আরও পড়ুন: নেত্রকোনায় ছয়টি পিকআপসহ ৩২ ভারতীয় গরু জব্দ এরপর গত ১৩ জানুয়ারি কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার চৌয়ারা গরু বাজার থেকে একটি গরু উদ্ধারসহ সোহাগকে আটক করা হয়। আটক সোহাগ চাঁদপুরের কচুয়া থানার সানন্দকড়া গ্রামের ইদ্রিসের ছেলে। পরে তার দেয়া স্বীকারোক্তি ও তথ্যের ভিত্তিতে কচুয়ার সানন্দকড়া এলাকার লতিফের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আরও আটটি চোরাই গরু উদ্ধার করে পুলিশ। সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, চুরি হওয়া বাকি পাঁচটি গরু উদ্ধারে এবং চোরচক্রের অন্য সদস্যদের আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর ভোরে চর দরবেশ ইউনিয়নের পূর্ব চর সাহাভিকারী এলাকার মো. শাহ আলমের খামার থেকে অজ্ঞাতনামারা ১৬টি গরু চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী খামারি ২ জানুয়ারি সোনাগাজী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তায় আন্তঃজেলা চোরচক্রের সন্ধান পায়।