টেকনিক্যাল ও সায়েন্সল্যাব মোড়ে সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের অবস্থান

প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারি করে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর দাবিতে রাজধানীর টেকনিক্যাল ও সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। দারুসসালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম জাকারিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে সরকারি বাঙলা কলেজ ও তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা দাবি আদায়ের জন্য টেকনিক্যাল মোড়ে অবস্থান নিয়েছেন। এতে এই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এদিকে সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করছেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। ফলে সায়েন্সল্যাব মোড় এলাকায়ও যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, আগামী ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন ২০২৫’ এর অনুমোদন দিতে হবে এবং একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করতে হবে। একই দাবিতে রাজধানীর একাধিক স্থানে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা। এতে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। এর আগে গত মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাত কলেজের সমন্বয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫’-এর খসড়া গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। খসড়াটি প্রকাশের পর এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে একাধিক পরামর্শ সভার আয়োজন করে। শিক্ষার্থীদের দাবি, স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা শেষে প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় খসড়াটি হালনাগাদ করেছে। সর্বশেষ গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবন অভিমুখে টানা অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ডিসেম্বরের মধ্যেই আনুষঙ্গিক সব কার্যক্রম শেষ করে জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে অধ্যাদেশ জারির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়েছিল। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একটি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৫ জানুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের একটি সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা চান, ওই সভাতেই ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫-এর হালনাগাদ করা খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হোক এবং একইসঙ্গে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হোক। কেআর/ইএ/এমএস