দীর্ঘ বিরতির পর আবারও একসঙ্গে ফিরছে বিটিএস। শুধু গান নয়, বিশাল পরিসরের ওয়ার্ল্ড ট্যুর নিয়েই মঞ্চে ফিরছেন আরএম, জিন, সুগা, জে-হোপ, জিমিন, ভি ও জাংকুক। ট্যুর শুরু হবে ২০২৬ সালের এপ্রিলে, চলবে ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত।মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে বৈশ্বিক ফ্যান প্ল্যাটফর্ম উইভার্সে প্রকাশ করা হয় বিটিএস ওয়ার্ল্ড ট্যুরের অফিসিয়াল পোস্টার। সেখানেই জানানো হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার গিয়ংগি প্রদেশের গোইয়াং স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ৯ এপ্রিল কনসার্টের মাধ্যমে শুরু হবে এই দীর্ঘ সফর। এবারের ট্যুরে এখন পর্যন্ত এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার ৩৪টি শহরে ৭৯টি শো নিশ্চিত করা হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, কোনো কে-পপ গ্রুপের একক বিশ্ব সফরে এত বেশি শো আগে কখনো হয়নি। ২০২২ সালে লাস ভেগাসে ‘পারমিশন টু ড্যান্স অন স্টেজ’ কনসার্টের পর আর একসঙ্গে মঞ্চে ওঠেনি বিটিএস। এরপর বাধ্যতামূলক সামরিক দায়িত্বে যান সবাই। প্রায় চার বছর পর আবার পূর্ণ দল নিয়ে বিশ্ব সফরে নামছেন তারা। আরও পড়ুন: বিটিএসের নতুন অ্যালবামে কয়টি গান থাকবে? ট্যুরের শুরু কোরিয়ায় হলেও খুব দ্রুতই দলটি পাড়ি দেবে বিদেশে। ২৫ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হবে উত্তর আমেরিকা পর্ব। সেখানে ফ্লোরিডা, টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়াসহ ১২টি শহরে হবে ২৮টি কনসার্ট। এরপর জুন–জুলাইয়ে ইউরোপ সফরে লন্ডন, প্যারিস, মাদ্রিদসহ ৫টি শহরে গাইবে বিটিএস। দক্ষিণ আমেরিকার দর্শকরাও থাকছেন তালিকায়। সাও পাওলো, বুয়েনস এইরেস, লিমা, সান্তিয়াগোর মতো শহরে কনসার্ট করবে দলটি। বছরের শেষ দিকে এশিয়ায় তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়ায় একাধিক শো রয়েছে। ২০২৭ সালের শুরুতে অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপাইন হয়ে সফরের ইতি টানবে বিটিএস। এই ট্যুর ঘোষণার আগেই আরেকটি সুখবর দিয়েছে বিগহিট মিউজিক। জানানো হয়েছে, আগামী ২০ মার্চ বিটিএস প্রকাশ করবে নতুন পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম। প্রায় চার বছর পর এটি হবে তাদের প্রথম দলগত অ্যালবাম। আরও পড়ুন: বিশ্বসংগীতে ইতিহাস গড়লো বিটিএস! উল্লেখ্য, সুগা সর্বশেষ সদস্য হিসেবে ২০২৫ সালের জুনে সামরিক দায়িত্ব শেষ করেন। কাঁধের পুরোনো চোটের কারণে তিনি সামাজিক সেবার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাকি ছয় সদস্য সরাসরি সেনাবাহিনীতে কাজ করেন। সব মিলিয়ে বলা যায়, বিটিএস শুধু ফিরছে না-তারা ফিরছে ঝড় তুলতে। নতুন গান, বিশাল মঞ্চ আর কোটি ভক্তের উচ্ছ্বাস নিয়ে ২০২৬ সাল যে বিটিএসের বছর হতে যাচ্ছে, তা বলাই যায়।