মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের ফোনালাপ ইতিবাচক হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প নিজেই। তেল, খনিজ, বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার কথাও জানান তিনি। একইসঙ্গে ভেনেজুয়েলায় রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির ঘোষণা দেন রদ্রিগেজ।মাদক পাচারের অভিযোগে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো গ্রেফতারের পর প্রথমবারের মতো উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ হয়েছে ওয়াশিংটন ও কারাকাসের মধ্যে। স্থানীয় সময় বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দীর্ঘসময় ফোনালাপ হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজের। আলোচনা ইতিবাচক হয়েছে বলেও জানানো হয়। ট্রাম্প জানান, তেল, খনিজ, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ছিল আলোচনার মূল বিষয়। সামাজিক মাধ্যমেও তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলাকে স্থিতিশীল করতে সহায়তা করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প। ফোনালাপটিকে ‘দীর্ঘ, ভদ্র এবং গঠনমূলক’ বলে উল্লেখ করেছেন রদ্রিগেজ। বলেন, দুই দেশের স্বার্থে একটি দ্বিপাক্ষিক এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে ভেনেজুয়েলায় আরও ৪০৬ রাজনৈতিক বন্দির মুক্তির ঘোষণা দেন রদ্রিগেজ। আরও পড়ুন: নিজেকে ‘ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প! তার দাবি, নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় সংলাপ ও সহনশীলতার পথে হাঁটতে চায় সরকার। তবে, কবে কখন বা কীভাবে বন্দিদের মুক্তি দেয়া হবে সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি। এদিকে, ভেনেজুয়েলা ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক পদক্ষেপ ঠেকাতে সিনেটে একটি প্রস্তাব আটকে দিয়েছে রিপাবলিকানরা। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স টাই-ব্রেকিং ভোট দিয়ে প্রস্তাবটি বাতিল করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আশ্বাস দেন, বড় কোনো সামরিক অভিযানের আগে কংগ্রেসের অনুমোদন নেয়া হবে। ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলার বিষয়ে প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট এবং নিয়ন্ত্রিত। হোয়াইট হাউস জানায়, কূটনীতি ও চাপ দুই পথই খোলা রাখা হচ্ছে দেশটির জন্য।