গ্রুপপর্বের সবগুলো ম্যাচ ভারতে হলেও শ্রীলঙ্কা থেকে শুরু হবে ইংল্যান্ডের টি-২০ বিশ্বকাপ সফর। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে শ্রীলঙ্কায় তারা কয়েকটি ওয়ার্মআপ ম্যাচ খেলবে। তাই এ সপ্তাহেই উপমহাদেশের উদ্দেশে উড়াল দেবে তারা। এমন অবস্থায় ভারতের ভিসা জটিলতায় পড়েছেন দলটির পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত দুই ক্রিকেটার আদিল রশিদ ও রেহান আহমেদ।ইংল্যান্ডে জন্ম হলেও রশিদের পরিবারের শেকড় পাকিস্তানের কাশ্মীরে। ১৯৬৭ সালের দিকে তার পূর্বপুরুষরা ইংল্যান্ডে পাড়ি জমায়। তেমনি রেহান আহমেদের পারিবারিক শেকড়ও কাশ্মীর। তাদের এখনও ভিসা দেয়নি ভারত। ফলে অনিশ্চয়তায় পড়েছে বিশ্বকাপ দলের সঙ্গে তাদের শ্রীলঙ্কা সফর, এমনি বিশ্বকাপ সফরও। যদিও ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড আশাবাদী যে, তারা বিশ্বকাপের আগেই ভিসা জটিলতা কাটিয়ে উঠবে। খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের।রাজনীতিক বৈরিতার কারণে পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত ক্রিকেটারদের ভারতের ভিসা দিতে গড়িমসির উদাহরণ নতুন নয়। ২০২৪ সালে ভারত সফরেও একই ধরনের জটিলতায় পড়েছিল ইংল্যান্ড। সেবার ভিসা জটিলতা হয়েছিল বশির আহমেদ ও রেহান আহমেদকে নিয়ে। যদিও তারা শেষ পর্যন্ত ভিসা পেয়েছিলেন।আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আসছে আইসিসির প্রতিনিধি দল!একই ধরনের জটিলতায় পড়ার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত ক্রিকেটার আলী খানের। এই ক্রিকেটার যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন। তার দাবি ভারত তাকে ভিসা দিচ্ছে না। নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে আলি খান হাতে কেএফসি নিয়ে তোলা একটি ছবিসহ ইংরেজিতে যা লেখেন তার ভাবার্থ, ‘ভারতের ভিসা মেলেনি, তবে কেএফসি তো মিলল।’গুঞ্জন আছে, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা দলের আরও কয়েকজন ক্রিকেটার একই ধরনের ভিসা জটিলতায় পড়তে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটারদের মধ্যে পাকিস্তানি বংশোদ্ভুতরা হলেন- শায়ান জাহাঙ্গীর, বোলার এহসান আদিল ও মোহাম্মদ মহসিন। কানাডার বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়াদের মধ্যে পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত কালীম সানা ও সাদ বিন জাফর।