পাথরঘাটায় মুখোশ পরে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম

বরগুনার পাথরঘাটায় পৌর ছাত্রদলের এক নেতাকে রাতের আঁধারে মুখোশ পরে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১২টার দিকে পাথরঘাটা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পাথরঘাটা কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ওই ছাত্রদল নেতার নাম ইমতিয়াজ হোসেন ইমাম। তিনি পাথরঘাটা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। স্বজন ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা জানান, ছাত্রদল নেতা ইমতিয়াজ হোসেন ইমাম রাতে বাসা থেকে খাবার খেয়ে বের হন। পরে তিনি পাথরঘাটা কলেজ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে, হঠাৎ পেছন থেকে মুখোশ পরিহিত চার-পাঁচ জন মিলে তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ইমামকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।      আরও পড়ুন: দুই ভাইয়ের দ্বন্দ্ব থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল চাচাতো ভাইয়েরএ বিষয়ে পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি কে এম হসিবুল্লা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় ছিল তখন বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর প্রকাশ্যে হামলা হত। ওই সময় কারা হামলা করতো তা আমরা জানতাম। কিন্তু বর্তমানে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর গুপ্ত হামলা হচ্ছে। গত রাতে ছাত্রদল নেতা ইমামের ওপর মুখোশ পরে গুপ্ত হামলা চালিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। এতে তার হাত, পা এবং বুকসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কুপিয়ে জখম করা হয়। যারা বর্তমানে গুপ্ত রাজনীতি করছেন তারাই এ হামলা চালিয়েছে বলে আমাদের মনে হয়।’    এ বিষয়ে পাথারঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা বলেন, ‘ইমতিয়াজ হোসেন নামে এক ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা চালানোর খবর পেয়েছি। কারা এ হামলা চালিয়েছে তা উদঘাটন করতে পুলিশ কাজ করছে। তবে এখন পর্যন্ত আমরা ভুক্তভোগী পরিবার বা অন্য কারো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।’