সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেবা নিয়ে রোগীর স্বজন ও শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালের চারতলার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পর রোগী ও তাদের স্বজনদের অন্য হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়েছে পুলিশ। এদিকে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মধ্যরাত থেকে কর্মবিরতির ঘোষণা দেন তারা। জানা যায়, শুক্রবার রাত প্রায় ১১টার দিকে হাসপাতালের চারতলার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও হামলার ঘটনায় রূপ নেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে শনিবার রাতেই এক বিবৃতিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জানান, মধ্যরাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত একজন নারী শিক্ষানবিশ চিকিৎসকের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটেছে। একটি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে, বিশেষ করে একজন নারী চিকিৎসকের ওপর এ ধরনের হামলা আমাদের জন্য চরম লজ্জাজনক ও উদ্বেগজনক। এই বর্বর হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি ও অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে ইন্টার্ন ও জুনিয়র চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাই। তারা বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা এই হামলার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিলেট কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল জাকির জানান, পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বিশৃঙ্খলা করা রোগী ও তার স্বজনদের অন্য হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়েছে। তবে নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের উপর হামলার ঘটনায় কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলে জানান তিনি। আহমেদ জামিল/এমএন