চুয়াডাঙ্গায় সবজির বাজার ঊর্ধ্বমুখী

কয়েক দিন ধরেই চুয়াডাঙ্গায় শীতকালীন সবজির বাজার ঊর্ধ্বমুখী। সরবরাহ কম থাকায় দাম বেশি। ক্রেতারা বাধ্য হয়েই বেশি দামে সবজি কিনছেন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে চুয়াডাঙ্গা বড়বাজার পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।প্রায় ২ সপ্তাহ ধরে চুয়াডাঙ্গায় শীতকালীন সবজির বাজার বাড়তি। ফলে ক্রেতারা তাদের চাহিদা অনুযায়ী সবজি কিনতে পারছেন না। বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ১০০ টাকা, উস্তে ৭০ টাকা, আলু ২২ টাকা, সিম ৩৫ টাকা, ফুলকপি ৩৫ টাকা, পাতাকপি ১৮ টাকা, মুলা ৩৫ টাকা, আদা ১৬০ টাকা, রসুন ৭০ টাকা, টমেটো ৪৫ টাকা, শসা ১০০ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে প্রতিটি সবজির দাম কেজিপ্রতি আরও ১০-২০ টাকা বেশি। মাংসের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। তবে শীতকালে মাছ কম আমদানি হওয়ায় বাজারদর কিছুটা বাড়তি। প্রতি কেজি বয়লার মুরগি ১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৪০ টাকা ও দেশি মুরগি ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও খাসির মাংস ১১০০ টাকা দরে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে। আকার ভেদে ১২০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে দেশি মাছ।চুয়াডাঙ্গা পোস্টঅফিস পাড়ার বাসিন্দা আহসান জানান, বাজারে সবজির দাশ অনেক বেশি। কয়েক দিনের ব্যবধানে কাঁচামরিচ কেজিতে ৬০ টাকা বেড়েছে। অন্য সবজির গায়ে হাত দেওয়ার উপায় নাই। তাই অল্প অল্প করে সবজি কিনলাম আজকে বাজার থেকে। আরও পড়ুন: উৎপাদন খরচের চেয়ে কমে বিক্রি ডিম-মাংস, দেউলিয়ার ঝুঁকিতে টাঙ্গাইলের খামারিরা চুয়াডাঙ্গা পলাশপাড়ার হারুন বলেন, এ সময় পাতাকপি-ফুলকপি বাজারে বিক্রি হয় না। কৃষকরা গরু-ছাগল দিয়ে খাওয়ায়। অথচ এখন ফুলকপি খুচরা বাজারে ৪০ টাকা কেজি ও পাতাকপি ২৫ টাকা কেজিতে নিতে হচ্ছে। বাজার করতে গিয়ে আমাদের মত অল্প আয়ের মানুষদের অবস্থা নাজেহাল। চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারের আড়তদার বাতেন মিয়া জানান, বাজারে সবজির চাহিদা থাকলেও আমদানি তুলনামূলক কম। যার কারণে দাম কিছুটা বাড়তি। মাঠে সবজি নেই বললেই চলে। আমদানি বাড়লে বাজার স্বাভাবিক হবে।