মধ্যপ্রাচ্যের দখলদার ইসরায়েলের জন্য ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলারের সামরিক সহায়তা অন্তর্ভুক্ত করে বিল পাস করেছে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ। ফরেন মিলিটারি ফাইন্যান্সিং (এফএমএফ) কর্মসূচির আওতায় এই অর্থ দেওয়া হবে। ২০২৬ অর্থবছরের জন্য প্রণীত ন্যাশনাল সিকিউরিটি, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট অ্যান্ড রিলেটেড প্রোগ্রামস অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস অ্যাক্ট (এনএসআরপি)–এর অংশ হিসেবে এই অর্থ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই আইনের আওতায় মোট প্রায় ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে যা মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর, বিদেশি সহায়তা ও নিরাপত্তা খাতে ব্যয় হবে। বিলটি পাস হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে ইসরায়েলপন্থি প্রভাবশালী লবিগোষ্ঠী আমেরিকান ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি (আইপ্যাক)। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, এই বিলের ইসরায়েলপন্থি ধারাগুলো কংগ্রেসে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কের প্রতি দ্বিদলীয় ও দৃঢ় সমর্থনকে আরও শক্তিশালী করেছে। এই সহায়তা ইসরায়েলকে যৌথ কৌশলগত হুমকি মোকাবিলায় সক্ষম করে তুলবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী মিত্র নিশ্চিত করবে। ফরেন মিলিটারি সেলসের (এফএমএস) এর আওতায় দেশগুলো নিজেদের অর্থ দিয়ে মার্কিন অস্ত্র ক্রয় করলেও এফএমএফ-এর কর্মসূচিতে বিদেশি মিত্রদের জন্য মার্কিন করদাতাদের অর্থে সরাসরি অস্ত্র কেনা হয়। এই কর্মসূচির সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী দেশ হলো ইসরায়েল। বর্তমানে কার্যকর ১০ বছরের চুক্তি অনুযায়ী ইসরায়েল প্রতিবছর প্রায় ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের মার্কিন অস্ত্র পেয়ে থাকে। এই চুক্তির মেয়াদ ২০২৮ সালে শেষ হবে এবং তা নতুন করে আলোচনা করে নবায়ন করতে হবে। ব্রাউন ইউনিভার্সিটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস-নেতৃত্বাধীন হামলা ও গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রায় ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সামরিক সহায়তা দিয়েছে। সূত্র: মিডল ইস্ট আই কেএম