ফেনী-১ আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

ফেনী-১ আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী রফিকুল আলম মজনু এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এস এম কামাল উদ্দিনকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।শনিবার (১৭ জানুয়ারি) নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সভাপতি এবং সিভিল জজ মো. এহসানুল হক পৃথক আদেশের মাধ্যমে এই নোটিশ প্রদান করেন।কমিটির নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোট চেয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন এই দুই প্রার্থী। রফিকুল আলম মজনু তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে ধানের শীষ প্রতীকের জন্য পোস্টার, ব্যানার ও ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। আর এস এম কামাল উদ্দিন 'অ্যাডভোকেট এস এম কামাল উদ্দিন' ও 'জননেতা কামাল ভাই ফেনী-১' নামীয় পেজ থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগ ও প্রচারণার ভিডিও প্রচার করা হয়েছে।নোটিশে স্পষ্ট করা হয়, 'রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫'-এর ৩ ও ১৮ বিধি অনুযায়ী, ২২ জানুয়ারির আগে কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর আইনি সুযোগ নেই। প্রার্থীরা ফেসবুকের মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে এই বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন করেছেন।কমিটি এই ঘটনাগুলোকে পৃথক অভিযোগ হিসেবে নথিবদ্ধ করেছে। অভিযুক্তদের আগামী ২১ জানুয়ারি ছাগলনাইয়া সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে রফিকুল আলম মজনুকে সকাল সাড়ে ১১টায় ও এস এম কামাল উদ্দিনকে বিকেল ৩টায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  সঠিক ব্যাখ্যা প্রদানে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে কেন নির্বাচন কমিশনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন: পোস্টাল ভোট নিবন্ধনে সারা দেশে প্রথম ফেনী-৩ আসনএ বিষয়ে ফেনী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক বলেন, 'কারণ দর্শানোর নোটিশটি জুডিশিয়ারি বিভাগ থেকে দেওয়া হয়েছে। জেলার তিনটি আসনের আচরণবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য তিনজন সিভিল জজ দায়িত্ব পালন করছেন। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'ইতিমধ্যেই এই আদেশের অনুলিপি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা, নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নিকট পাঠানো হয়েছে।